এজেন্সিকে ব্যবহার করার অভিযোগ মমতার

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন

এজেন্সিকে ব্যবহার করার অভিযোগ মমতার

ফন্ট সাইজ:

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনে এজেন্সি ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনী জনসভা থেকে মমতা বলেন, ‘ভয় পেয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তার এবং তার দলের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ব্যবহার করছে।’

বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী বলেন, ‘কালো টাকা নিয়ে ওরা পশ্চিমবঙ্গে বসে আছে। আর তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হানা দিচ্ছে। প্রার্থীর বাড়িতে গিয়ে হানা দিচ্ছে। আমার প্লেনে হানা দিচ্ছে। শুক্রবারই প্রার্থী দেবাশীষ কুমার ও তার আত্মীয়দের বাড়িতে আয়কর হানা হয়েছে।’ মমতার মনোনয়নের এক প্রস্তাবকের বাড়িতেও আয়কর হানা হয়েছে। মমতা বলেন, ‘‘ভোটের মুখে প্রচারে বাধা দিতেই অভিযান করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রার্থীকে ‘নজরবন্দি’ করা হচ্ছে।’’

মমতা বলেন, ‘সামনাসামনি লড়াই করতে পারে না। ওরা ভীতু, কাপুরুষ। বেছে বেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে তল্লাশি চলছে।’ তিনি প্রশ্ন করেন, কতজন বিজেপি নেতার বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে, তা আমি জানতে চাই।

মমতা আরও অভিযোগ করেন, বিজেপি যে অবস্থায় গিয়েছে, তাতে ওরা শেষ মরণকামড় দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। আমাদের দলীয় কার্যালয়ে তল্লাশি করতে পারে। ওদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে, এদের কোনো মূল্য নেই। ভোটের পরে সব শূন্য, আর ভোটের আগে ইডি, সিবিআই এসব দেখাচ্ছে।

দলীয় নেতা ও কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমি তো ভয় পাচ্ছি না, আপনারা কেন পাবেন।’ মমতা অভিযোগ করেন, বিজেপি জালিয়াতি করে ভোট জেতার সব রকমের চেষ্টা চালাবে।

লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাসের চেষ্টার তীব্র সমালোচনা করে মমতা বলেন, ‘নিজেরা জানে হারবে, ৫৪১ সিট আছে, তাই ওটা ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার জন্য টুকরো টুকরো করছে দেশটাকে। একদিন দেখবেন কোচবিহারটাই হারিয়ে গিয়েছে। উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, শিলিগুড়িটাই হারিয়ে গিয়েছে।’

মমতা আরও বলেন, ‘এদের লজ্জা নেই, ঘৃণা নেই, ভয় নেই। আমি বিশ্বাস করি, ঈশ্বরই বলুন বা আল্লাহ বলুন, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। তুমি ভেবে যাও, কাজ করে যাও। আগামী দিনে তুমি ক্ষমতায় থাকবে না, ওটা এক সেকেন্ডে উল্টে যাবে।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন