ইয়ামালের রেকর্ডের ম্যাচে শিরোপার সুবাস বার্সেলোনার

ইয়ামালের রেকর্ডের ম্যাচে শিরোপার সুবাস বার্সেলোনার

ফন্ট সাইজ:

রিয়াল মাদ্রিদের হোঁচটের সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগাচ্ছে বার্সেলোনা। এস্পানিওলের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে লা লিগার শিরোপার সুবাস পেতে শুরু করেছে কাতালানরা। আগের ম্যাচে রিয়ালের ১-১ গোলের ড্রয়ে বার্সার সঙ্গে তাদের ব্যবধান এখন ৯ পয়েন্টের। লা লিগার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে ১০০ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়লেন লামিন ইয়ামাল। ১৮ বছর ২৭২ দিন বয়সে এ স্প্যানিশ তারকা ভাঙেন রিয়াল কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসের (১৯ বছর ২৮৪ দিন) রেকর্ড। তবে বার্সা বস বলছেন, কাজ এখনো শেষ হয়নি।
৩১ ম্যাচে ২৬ জয়ে ৭৯ পয়েন্টে চূড়ায় বার্সা। সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্টে দুইয়ে রিয়াল। এখনও ৭ ম্যাচ বাকি থাকতে ৯ পয়েন্টের ব্যবধান ঘোচানো কঠিন হলেও, একেবারেই অসম্ভব কিছু নয়। বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক তেমন কিছু ভেবেই হয়তো ম্যাচের পর বলেন, “আমাদের কাজ এখনও শেষ হয়ে যায়নি। ৯ পয়েন্টে এগিয়ে থাকা ভালো, ভালো লাগছে। তবে ‘জিতে গেছি’ মানসিকতা রাখা ঠিক হবে না। যতক্ষণ না সব শেষ হচ্ছে, ততক্ষণই আমাদের সেরাটা খেলে যেতে হবে।” পরবর্তী ম্যাচে আগামী ১৪ই এপ্রিল চ্যাম্পিয়নস লীগের কোয়ার্টার ফাইনালে দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে নামবে বার্সা। ঘরের মাঠের প্রথম লেগে ২-০ গোলের হারের পর ইউরোপিয়ান শীর্ষ লীগে এটি এখন কাতালানদের বাঁচা-মরার লড়াই। ফ্লিকের চিন্তায় এখন সেই কঠিন ম্যাচটি, ‘আমরা নেতিবাচক কিছু ভাবি না, আমরা ইতিবাচক চিন্তা করি। আমাদের চোটের সমস্যা ছিল, যা আমরা কাটিয়ে উঠেছি... আমাদের এটি সামলে নিতে হবে। এখন পর্যন্ত আমরা যা অর্জন করেছি তা চমৎকার। এখন আমরা চ্যাম্পিয়নস লীগে এগিয়ে যেতে চাই।’
ক্যাম্প ন্যুতে বিরতির আগেই জোড়া গোলে দলকে লিড এনে দেন ফেররান তোরেস। এ দুই গোলেই অ্যাসিস্ট করেন ইয়ামাল। বিরতির পর মাঠে ফিরে এক গোল শোধ দেয় এস্পানিওল। রেকর্ডের ম্যাচটি নিজে গোল করেও রাঙান দলের স্প্যানিশ তরুণ ইয়ামাল। ৮৭তম মিনিটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। এ নিয়ে সব মিলিয়ে লীগের ১০০ ম্যাচে ইয়ামালের গোল ও অ্যাসিস্ট হলো সমান ২৯টি করে। মিনিট দুয়েকের মধ্যে দলের চতুর্থ ও শেষ গোলটি করেন মার্কাস রাশফোর্ড। ম্যাচ শেষে চ্যাম্পিয়নস লীগের ফিরতি ম্যাচকে সামনে রেখে অ্যাটলেটিকোকে প্রচ্ছন্ন হুমকিই দিয়ে রাখলেন ফ্লিক। বার্সার জার্মান কোচ বলেন, ‘আমরা অ্যাটলেটিকোর বিরুদ্ধে লড়াই করবো এবং আমার মনে হয় না পরবর্তী রাউন্ডে যেতে আমাদের অলৌকিক কিছুর প্রয়োজন আছে। ফুটবলে সবকিছুই সম্ভব, আজ যেমন তৃতীয় গোলের পরপরই আমরা চতুর্থ গোলটি করেছি। আমাদের কেবল একটি নিখুঁত ম্যাচ খেলা দরকার।’ দিয়েগো সিমিওনের দলকে সমীহ করলেও, আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই ফ্লিকের, ‘অ্যাটলেটিকো দারুণ দল, তবে আমরাও দুর্দান্ত। আমরা জয়ের জন্যই লড়বো। আমরা সেমিফাইনালে যেতে চাই এবং এর জন্য দলের পক্ষ থেকে একটি বিশাল পারফরমেন্স প্রয়োজন।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন