তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই। সরকারি দলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে (কেআইবি) ‘বাংলাদেশের কৃষিতে বিশ্ব জ্বালানি সংকটের প্রভাব উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কৃষি বাঁচলে, দেশ বাঁচবে এটা যেন আমরা ভুলে না যাই। সমাজে যার যেখানে গুরুত্ব পাওয়া উচিত, তাকে ততটুকুই দিতে হবে। কৃষি আমাদের প্রধান, কৃষি আমাদের দ্বিতীয়, কৃষি আমাদের তৃৃতীয়। বিদেশি ঋণ আর সহায়তা এই জাতিকে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে দেবে না।
জামায়াতের আমীর বলেন, সম্প্রতি অতীত থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না। ক্ষমতা মানুষকে অন্ধ করে দেয়, এইজন্য সমাজকে আর দেখে না। আসুন আমরা ট্রান্সপারেন্সি গ্লাস দিয়ে সমাজটাকে দেখি। সমাজের মানুষের হাহাকার বোঝার চেষ্টা করি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি ছাড়া আমাদের কোনো চাকাই চলবে না। সব অচল। ড. মিজান সাহেব বলেছেন জ্বালানির একটা অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইমপোর্ট করি। আমাদের নিজেদের সক্ষমতা রয়েছে বিশেষ করে পেট্রোল এবং অকটেনের ক্ষেত্রে শতকরা ৫০ ভাগ।
আল্লাহ অফুরন্ত সম্পদ রেখেছেন আমাদের এখানে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিন্তু আমরা সেসব তুলে আনতে পারছি না। আমাদের এক্সপার্ট নেই। আমাদের সম্পদ যেন আমরাই তোলার ব্যবস্থা করতে পারি তারও কোনো উদ্যোগ নেই।
জামায়াতের আমীর বলেন, দেখিয়েছেন জ্বালানি মজুত আছে। কিন্তু সাইনবোর্ডে লেখা জ্বালানি নেই। তেল নেই। পরে আবার ধরা পড়ছে। এদিকে জাতিসংঘ থেকে বলা হচ্ছে যদিও যুদ্ধ থামে তার প্রভাব কয়েক মাস চলবে বিশ্ব অর্থনীতিতে।
তিনি আরও বলেন, সংসদে গত সরকারের কিছু অধ্যাদেশ ছিল যেগুলা সংশোধন করা খুবই জরুরি ছিল। বিশেষ করে স্বাধীন দুদক কমিশন গঠন করা। মতলব হচ্ছে দেশ চলবে আগের কায়দায়। জীবন গেল, পঙ্গু হলো, ক্ষতি হলো দেশের, মায়ের বুক খালি হলো, বহু বোন তার স্বামী হারালো, বাচ্চারা এতিম হলো এর জবাব কে দেবে? রাজনীতিবিদদেরই এর জবাব দিতে হবে।
সকল নীতির নিয়ন্ত্রণ রাজনীতির হাতে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি যদি ঠিক থাকে দেশের সব নীতি ঠিক থাকবে। কৃষিবিদ ড. এটিএম মাহবুব-ই ইলাহী (তাওহীদ) সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন এএফবির মহাসচিব কৃষিবিদ শেখ মুহাম্মদ মাসউদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সাধু
৩ মাস আগেজ্বালানি শুধু সংসদে আছে দেশে নেই : এই সক্ষমতা নিয়ে বিনিয়োগ বাড়াবে সরকার!বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আগামী ছয় মাসের মধ্যে চীনে তাদের প্রথম বিদেশি কার্যালয় খুলতে যাচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য চীন থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা । এই অফিসটি সরাসরি চীনা বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগ, তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান এবং ঢাকা অফিসের সাথে সমন্বয় সাধন করবে, যা বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও সহজ ও আকর্ষণীয় করে তুলবে,পুরাপুরি অপচয়!এটা হবে হতকারী সিদ্ধান্ত যা রাষ্ট্রের ক্ষতি ছাড়া কিছু হবে না।ওখানে পাঠাবেন কাহারো ছেলে বা মেয়ে বা বউ অর্থটা পানিতে পড়বে।