শীর্ষেই থাকলো কিংস

শীর্ষেই থাকলো কিংস

ফন্ট সাইজ:

প্রথমার্ধে বসুন্ধরা কিংসের প্রবল আক্রমণের সামনে সেভাবে দাঁড়াতে পারেনি আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ভিন্ন এক আরামবাগকে দেখা যায় কিংস অ্যারেনায়। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও এই আর্ধে বেশ আত্মবিশ্বাসী শুরু করে মতিঝিলের ক্লাবের পাড়ার দলটি। এক গোল শোধ দেয়ার পর সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় তারা। তাতেই নিজেদের আরামবাগকে ২-১ গোলের স্বস্তির জয়ে লীগে টেবিলে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বসুন্ধরা কিংস। ফেডারেশন কাপে দুই দলের সবশেষ দেখায় ৫-০ ব্যবধানে জিতেছিলেন দোরিয়েলতন-রাকিবরা। প্রথমার্ধে কিংসের হয়ে গোল করেন ইমানুয়েল সানডে ও ডোরিয়েল্টন গোমেজ। আরামবাগের হয়ে ব্যবধান কমানো গোলটি করেন মিলস। এ জয়ে ১২ রাউন্ড শেষে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে বসুন্ধরা কিংস। এদিন গাজীপুরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে পুলিশ এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে ফর্টিস এফসি। তাদের পয়েন্ট ২৪। ১৬ পয়েন্ট পেয়ে পাঁচেই থাকলো পুলিশ। আর ৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তলানির দল আরামবাগ।

কিংস অ্যারেনায় এদিন ম্যাচের ২৪তম মিনিটে বসুন্ধরা কিংসকে লিড এনেদেন ডোরিয়েল্টন গোমেস। আক্রমণের শুরুটা ইউসুফের পা থেকে। তাঁর থ্রু বল ধরে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে কাটব্যাক দেন রাকিব। এরপর ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের নিচু শট গড়িয়ে গড়িয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে বল খুঁজে নেয় জাল। ৪ মিনিট পর লিড দ্বিগুন করেন সানডে। মাঝ মাঠ থেকে এবার রাকিব বল দেন ডোরিয়েল্টনকে। ডানদিক দিয়ে তার কর্নারে গোল করেন ইমানুয়েল সানডে। ৪৫ মিনিটে রাকিবের ক্রস একটুর জন্য নাগাল পাননি ফাহিম। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় কিংস। ৫৫ মিনিটে ফাহিমের কর্নারে ডোরিয়েল্টন মাথা ছোঁয়ালেও বল যায় পোস্টের উপরে দিয়ে। পরের মিনিটে নিজেদের অর্ধ থেকে আসা লং বল হাত দিয়ে মাটিতে নামান আরামবাগের ঘানার ফরোয়ার্ড কিজিতো। কিংস গোলরক্ষক জিকোকে পরাস্ত করে বল জালে ঠেলে দিলেও তাঁকে ফাউল ধরেন রেফারি। এটা মেনে নিতে না পেরে রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন আরামবাগের রকি। ব্যবধান কমাতে বেশি সময় নেয়নি আরামবাগ। ৬৩ মিনিটে মিলসের সাইড ভলিতে ব্যবধান নেমে আসে ১-২ গোলে। ৬৭ মিনিটে আরামবাগকে সমতায় ফিরতে দেননি বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক জিকো। ডান দিক থেকে রকির ক্রসে মিলসের দারুণ হেড ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন তিনি। ২ মিনিট পর ইউসুফের লম্বা থ্রোয়ে বিশ্বনাথের সাইড ভলি লাগে সানডের শরীরে। একটু এদিক সেদিক হলে গোল হতে পারত। ৮৮ মিনিটে দোরিয়েলতনের চিপ শট আরামবাগ গোলকিপারকে পরাস্ত করলে বল গড়িয়ে বের হয়ে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লীগের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন