ঘরের ছেলে হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়াবাসীর প্রত্যাশা

ঘরের ছেলে হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়াবাসীর প্রত্যাশা

ফন্ট সাইজ:

বগুড়ার মাটি ও মানুষের কাছে দিনটি এক নতুন যুগের সূচনা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের বিপুল বিজয় এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথে থাকায় বগুড়া উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। এবার বগুড়ার উন্নয়ন হবে। অবহেলার দিন শেষ। মানুষজন বলছেন, বগুড়ায় জন্ম নেয়াটা বিগত সরকারের কাছে ছিল অপরাধের মতো। জেলার নাম শুনলে চাকরি হতো না। পদোন্নতি হতো না। বৈষম্যের চরম শিখরে ছিল এই জেলা।
সেই বগুড়ার আকাশে আজ নতুন সূর্যোদয় হলো।

দীর্ঘ ১৯ বছর পর গত ২৯শে জানুয়ারি বগুড়ায় পা রাখেন তারেক রহমান। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি হারিয়েছেন তার ছায়াসঙ্গী, প্রিয় ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে। বিদেশের মাটিতে ভাইয়ের মৃত্যু এবং দেশে নিয়ে আসার সেই করুণ স্মৃতি আজও তাকে তাড়া করে বেড়ায়। কিন্তু সবচেয়ে বড় আঘাতটি এসেছে তার মমতাময়ী মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে।

দুঃখ আর শোককে সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমান নির্বাচনের মাঠে বাংলাদেশের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন নিরলসভাবে। ক্লান্তি তার চেহারাকে মলিন করতে পারলেও থামাতে পারেনি। যার ফলশ্রুতিতে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করলেন।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, তা বিশ্বের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে বিরল। সাধারণ মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ এবং ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসনের দুঃসহ স্মৃতি মুছে ফেলে মানুষ বেছে নিয়েছে উন্নয়নের নতুন কারিগরকে। বগুড়ার প্রতিটি আসনে বিএনপি’র প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।

এখন যখন তারেক রহমান দেশের শাসনভার গ্রহণ করতে যাচ্ছেন, তখন বগুড়াবাসীর প্রত্যাশার পারদ আকাশচুম্বী। তারা বিশ্বাস করেন, তাদের ঘরের সন্তান তাদের এই বঞ্চনার অবসান ঘটাবেন। উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে বগুড়া তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে। তারেক রহমানের ভিশন আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন বগুড়া থেকেই বাস্তবায়িত হতে শুরু করবে বলে সাধারণ মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন