রিসেট

তাসনিয়ার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলার আবেদন

প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল (রবিবার), ২০২৩ Archive 2022Source: স্টাফ রিপোর্টার

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ও নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করার অভিযোগে মডেল তাসনিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক জসীম আহমেদ। বুধবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫ ও ২৯ ধারায় জসিম মামলার আবেদন করেন বলে তার আইনজীবীরা জানান। এ নিয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনও করেন তিনি। সেখানে তাসনিয়ার বিরুদ্ধে মামলার আবদনের কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আ আল মামুন রাসেল ও শাহেদুল  আজম জানান, বিচারক পরে আদেশ প্রদান করবেন। আ আল মামুন রাসেল বলেন, জসীম আহমেদের সঙ্গে তাসনিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। এই সম্পকর্কে ব্যবহার করেছে তাসনিয়া। তার নামে মিথ্যা মামলাও করেছে সে। এ ছাড়া কদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পরিচালক ও প্রযোজকের নামে নানা মিথ্যা বিষয় প্রকাশ করছে যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৯ ধারায় অপরাধ। 

তাসনিয়ার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় জসিম আহমেদের বেশকিছু ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করেছেন। যেখানে একটি বাসায় ছুরি হাতে নিজের গলায় ধরতে দেখা যায় জসিমকে। অন্য এক ভিডিওতে একটি প্রাইভেটকারের ভেতরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। যেখানে প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন জসিম। এ ভিডিও প্রসঙ্গে জসিম আহমেদ বলেন, সে আমার সঙ্গে যখনই দেখা করেছে গোপনে এমন ভিডিও রেকর্ড করেছে। সে আমার বাসায় এসে ভাঙচুরের  চেষ্টা করলে আমি ইমোশনালি বোঝানোর জন্য আমার নিজের গলায় ছুরি রাখি। সে সময় মেয়েটিকে আমার মাতাল মনে হয়। বাসায় ভাঙচুরের ফলে আশেপাশের লোকজন চলে আসবে ভবে আমি তাকে বোঝানোর জন্য কিচেন থেকে ছুরি আনি। তিনি বলেন, আমার বাসায় ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের ১২ আগস্ট। কিন্তু আমি ২০২২ সালের ১০ই অক্টোবর তার মাথায়-হাতে ব্যান্ডেজসহ ভিডিও পোস্ট করতে দেখেছি। তার বহু রূপ, এতে আমিই এলোমেলো হয়ে গেছি। এদিকে ঢাকার সাইবার ট্রাইবুনালের পিটিশন মামলা নং-৩০৫/২০২০ এর তদন্ত করতে গিয়ে সিআইডি পুলিশ আবিষ্কার করে তাসনিয়া রহমান একজন পেশাদার ব্ল্যাকমেইলার, যার কাজ হলো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করা। সিআইডি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অফিসার আল মাহমুদ হোসেনের করা তদন্ত প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।