১৭ রবিউল আউয়াল ১৪২৪ হিজরী রোজ সোমবার, নবী বংশের ৩৭ তম আউলাদ এবং ঐতিহ্যবাহী দা’ওয়াতুল ইসলাম বদরপুর দরবার শরীফের মেঝ পীর সাহেব হযরত সাইয়্যেদ মুতাওয়াক্কিল বিল্লাহ রব্বানী বদরপুরী (মা.জি.আ.) ও সৈয়দা নাঈমা খাতুন এর ঘর আলোকিত করে জন্মগ্রহন করেন একটি শিশু পরে দাদা হুজুর কেবলা, গাউসুল আজম বদরপুরী (রহঃ) উনার নাম রাখেন সাইয়্যেদ মুসতানজিদ বিল্লাহ রব্বানী।
শায়েখের প্রথম শিক্ষা আপণ মাতা আলেমা সৈয়দা নাঈমা খাতুনের কাছে হয় তারপরে উনি প্রথম শ্রেনী পর্যন্ত ঢাকার লক্ষীবাজরে চাইল্ড হেভেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়েন তারপড়ে দাদা হুজুরের হুকুমে উস্তাদুল কুর্রা ওয়াল হুফ্ফাজ শাইখ ক্বারী নাজমুল হাসান (দা.বা.) এর ঢাকা যাত্রাবাড়ী তাহফিজুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদরাসায় হিফজ পড়েন উক্ত মাদরাসা থেকে বহু আন্তার্জাতিক হাফেজ বের হয়েছে যেমন হাফেজ নাজমুস সাকিব, জাকারিয়া, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিহাব উল্লাহ ইত্যাদি। ছোটবেলা থেকেই শাইখ অনেক মেধাবী ছাত্র ছিলেন যেমন উনার উস্তাদের কাছে জানা যায় যে উনি মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ন কায়দা শেষ করে ফেলেছিলেন। ২০১৩ ইং সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে হিফজ শেষ করেন তারপরে চলে যান ঢাকার নরিন্দা দারুল উলুম আহ্সানিয়া কামিল মাদরাসায় সেখানে সমাপনি, জে এস সি, এস এস সি, এবং এইস এস সি পরিক্ষায় সর্বত্রই গোল্ডেন এ প্লাস পান, বর্তমানে শাইখ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছেন পাশাপাশি মিশর জামেয়া আল-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলমুল ক্বেরাতের উপরে ড. শাইখ আব্দুল ফাত্তাহ ত্বারুতী হাফি. এর কাছে ইজাজা নিচ্ছেন।
পড়াশুনার পাশাপাশি শাইখ নিউইয়র্কের ওজনপার্ক জামে মসজিদে দীর্ঘ ৩ বছর খতীবের দায়ীত্ব পালন করছেন এবং বাংলাদেশ সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন টেলিভিশনে নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করে থাকেন।এবং সিলেটের বন্যা খতিগ্রস্থদের ১ লক্ষ টাকা অনুদান সহ বহু সামাজিক কাজগুলো করে থাকেন, পরিশেষে বলতে চাই যে শাইখের জনপ্রিয়তা উনার Social Media Accounts গুলো দেখলেই বুঝা যায় এবং বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কোন ইসলামিক স্কলার তার টুইটারে ব্লু বেজ ভেরিফিকেশন ফেয়েছেন। আল্লাহ পাক শাইখ ও শাইখের পরিবারকে হেফাজত করুন এবং সকলকে হায়াত দারাস করুন, আমিন।
