জামালপুরে-৫ (সদর) আসনের বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। গতকাল সন্ধ্যায় এ আদেশ দেন নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান মো. ইকবাল মাহমুদ। আদেশে আগামী ৩রা জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্য ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। জামালপুর নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান মো. ইকবাল মাহমুদ সাক্ষরিত কারণ দর্শানোর পত্রে জানানো হয়েছে, গত ২৯শে ডিসেম্বর জামালপুর থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকায় জামালপুর-৫ আসনের প্রার্থী এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের পক্ষে ভোট চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকা-১৪২ জামালপুর-৫ (জামালপুর সদর উপজেলা) প্রার্থী এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের পক্ষে জামালপুর জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল এবং জামালপুর শহর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আরজু আকন্দ ধানের শীর্ষ প্রতীকে ভোট চেয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। পত্রিকায় প্রচারিত বিজ্ঞাপন দেখে এবং যাচাই করে তার সত্যতা পাওয়া গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একজন প্রার্থী হিসেবে এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের সমর্থকদের এই কাজ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা লঙ্ঘন করেছে। এ বিষয়ে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী শাহ মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, ওই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপানোর বিষয়টি আমি জানি না। আমার দলের কোনো নেতাও বিষয়টি জানেন না। কীভাবে বিজ্ঞাপনটি ছাপা হয়েছে, বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। সেটার দায় তো আমার না। তারপরও যেহেতু ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে, আমি সেটি দেবো। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু করতে আমরা বদ্ধপরিকর। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
