প্রধান উপদেষ্টা তার কথামতো নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করার জন্য! নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই, ২০২৫) এই চিঠি গ্রহণ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার একটি প্রচণ্ড চাপ ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের উপর। আবার জুলাই ঘোষণাপত্র এবং জুলাই সনদের ব্যাপারেও একটি প্রত্যক্ষ চাপ ছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দিক থেকে। প্রধান উপদেষ্টা দুইটি চাপকে প্রশমিত করার জন্য খুব প্রজ্ঞার সাথে জুলাই অভ্যুত্থানের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ তারিখ ৫ আগস্টকে বেছে নিলেন।
তিনি ৫ আগস্ট একই সাথে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করলেন আবার জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা কাটালেন। কিন্তু রাজনৈতিক বাহাস কি বন্ধ হল? জুলাই ঘোষণাপত্রের নানান বিষয় নিয়ে কিছু কিছু রাজনৈতিক দল আপত্তি জানালো। কেন ১৯৪৭ এর আজাদি স্থান পেলনা, কেন বিডিআর বিদ্রোহ, হেফাজতের জনসভায় হামলা ও শাপলা হত্যাকাণ্ড, ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার তাণ্ডব, মাদ্রাসার আলেম এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অবদান স্থান পেলো না । কেন প্রবাসী ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের ভূমিকার উল্লেখ নেই ইত্যাদি। আবার নির্বাচনের ব্যাপারেও একটা প্রচ্ছন্ন শর্ত জুড়ে দেওয়া হচ্ছে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে। যেমন—জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং বিচার কার্যক্রমের অগ্রগতি ছাড়া নির্বাচনের সময়সীমা নির্ধারণ করা উচিত হয়নি বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ ছাড়া নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করা উচিত হবে না।
সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা পাওয়ার পর জনমনে একধরনের স্বস্তি বিরাজ করছে। যেই রাজনৈতিক দলগুলো আপাতদৃষ্টিতে বিরোধিতা করছে তারাও নির্বাচন বর্জনের কথা বলছে না, তাদের কিছু অবজারভেশনের কথা বলছে। যেহেতু নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ পাওয়া যাচ্ছিলো না তাই নির্বাচন কমিশনও তাদের নির্বাচন সম্পর্কিত কর্মপন্থাগুলো সুচারুভাবে এগিয়ে নিতে পারছিল না। কিন্তু ৫ই আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার বক্তৃতার পর নির্বাচন কমিশনাররা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু কর্মপন্থা বা লক্ষ্য নির্ধারণ করে।
এবারের নির্বাচনে সর্বপ্রথম প্রবাসীরা ভোটদানের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। এ নিয়ম আগও ছিল, কিন্তু এর কোনো কার্যকারিতা ছিলো না। এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রবাসীরা, ৭১টি কারাগারে আইনি হেফাজতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিক এবং সরকারি কর্মকর্তারা ভোট দেবেন। প্রবাসী ভোটারদেরকে ভোটদানে সুযোগ দেয়ার দাবি দীর্ঘদিনের—সুতরাং এর সঠিক ব্যবস্থাপনা নির্বাচনে একটি নতুনত্ব আনবে।
সিসি ক্যামেরা আউটসোর্সিং বা ভাড়া নেয়ার কথা ভাবছে কমিশন। এর আগে সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ব্যবহৃত হয়নি। প্রায় ৪৫০০০ পোলিং সেন্টার, প্রতিটা সেন্টারে একাধিক পোলিং বুথ; সুতরাং এখানেও লজিস্টিক সাপোর্টসহ সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
নির্বাচনি কার্যক্রমে র্যাবকে সংযুক্ত না করার পরিকল্পনা আছে নির্বাচন কমিশনের। প্রার্থী বা দলের জন্য আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে নতুন করে মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন এই ক্লস যুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া প্রার্থীরা প্রচারণার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্ত্বা বা এআই( AI) ব্যবহার করতে পারবে না। তবে দেশের বাইরে থেকে বা দেশেও কেও এআই ব্যবহার করলে তার জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে সে ব্যাপারে এখনো কোনো কংক্রিট স্বিদ্ধান্ত হয়নি।
নির্বাচনের সময় ইন্টারনেটের স্পিড ( ব্যান্ডউইথ) কমানোর কোনো স্বিদ্ধান্ত হয়নি। যতটা সম্ভব প্রযুক্তিকে তার স্বাভাবিক গতিতে রাখার প্রয়াস রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন ভোটের তারিখ থেকে কমপক্ষে ৬০ দিন সময় হাতে রেখে তফসিল ঘোষণা করবে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু হবে; এই লক্ষ্য নিয়ে এর আগেই যেন নির্বাচিত সরকার শপথ গ্রহণ করতে পারে সেই ভাবে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করবে।
চ্যালেঞ্জসমূহ:
বাংলাদেশে এখন একটি অস্থির সময় বিরাজ করছে। ৫৪ বছরের বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভা ও সংসদ সদস্য সবাই পালিয়ে গেছেন। এমনকি জাতীয় মসজিদের খতিব পর্যন্ত পালিয়ে গিয়েছেন। এরকম একটি অস্থির সময়ে প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নানান দাবি দাওয়া নিয়ে সরকারকে ব্যতিব্যস্ত থাকতে হয়েছে এবং সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে যা এখনও চলমান।
এই জন্যই মানুষের দীর্ঘ দিনের জনআকাঙ্খার পরিপ্রেক্ষিতে এবং দেশকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় নিতে ও কার্যকরী গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনকে বলেছে।
দেশের এই volatile(অস্থির) অবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য যে চ্যালেঞ্জগুলো আসবে বলে মনে করি—
১. আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকর করা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকা আওয়ামী ফ্যাসিস্টের অনুসারীদের চিহ্নিত করে, তাদেরকে অপসারণ করে, সেই সব পদে যোগ্যতাসম্পন্ন ডেডিকেটেড অফিসার নিয়োগ করা। সেনাবাহিনীকে সর্বাত্মকভাবে কাজে লাগানো। যেহেতু বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে বারো কোটি ভোটার একদিনে ভোট দেয়, তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। সুতরাং এই নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর বলিষ্ঠ নিউট্রাল ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পত্রিকা মারফত জানা যায়, নির্বাচনের সময় ৬০০০০ সেনা সদস্য মাঠে রাখার প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। যথাযথ স্টাডি করে প্রয়োজনবোধে এর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
২. প্রার্থীদের প্রচারণায় সমান সুযোগের ব্যবস্থা করা; পোলিং এজেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রে যেন কোনো প্রার্থী কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার শিকার না হয় তার নিশ্চয়তা বিধান করা, প্রার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যেহেতু আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম যৌক্তিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাই এটা একটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে; সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য— ইউনিয়ন, উপজেলা লেভেলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা যেন নির্বাচন ভন্ডুলের কোনো কার্যক্রম করতে না পারে বা সে ধরনের কোনো দুঃসাহস করতে না পারে। এটা নিয়ন্ত্রণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ আগে থেকেই গ্রহণ করতে হবে।
৩. ভোটকেন্দ্র নারী-পুরুষ ভেদে— সকল ভোটার যেন সঠিকভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সেজন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নির্ভুল ভোটার লিস্ট প্রণয়ন করতে হবে। এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে নির্ভুল ভোটার লিস্ট প্রণয়ন করা কোনো কষ্টসাধ্য কাজ নয়। ভোটার লিস্ট নিয়ে যেন কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সরকার ইতিমধ্যে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে।
৪. বাংলাদেশে বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ফ্যাসিস্ট বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে যৌথভাবে। কারণ নির্বাচন যখন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, তখন ফ্যাসিস্টের স্যাবোটাজ করার ক্ষমতা শূন্যের কোঠায় চলে আসবে; নতুবা এই দ্বন্দের সুযোগ নিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় গোলযোগ করার আপ্রাণ চেষ্টা করবে।
৫. ভোটারদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সর্বাধিক সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের একটা প্রচলন, গুজব বা সত্যতা আছে — নির্বাচনের পরে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করা হয়। এবারের নির্বাচনে সরকারকে এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে। সংখ্যালঘু ভাই ও বোন বা তাদের সম্পদ ও পরিবার যেন বিন্দুমাত্র ক্ষতির শিকার না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ নজরদারি রাখতে হবে এবং এর জন্য নির্বাচনের পূর্বে ও পরে যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৬. নির্বাচনী কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য; যাদেরকে নির্বাচন কমিশন এই কাজগুলোতে নিয়োগ করবে তাদেরকে ট্রেনিং করানোর পাশাপাশি মানসিক কাউন্সিলিং করানো জরুরি বলে মনে করি। দেশের স্বার্থেই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন জরুরি এবং পক্ষপাতিত্ব কোনো সমাধান নয়, এটা তাদের মননে ঢুকিয়ে দেয়া প্রয়োজন।
৭. ভোট গণনা যেন সঠিকভাবে হয় এবং প্রত্যেকটা ভোট যেন সঠিকভাবে গণনা করা হয়—ভোটকেন্দ্রে ভোট গণনার সময় যেন কোনো গোলযোগ না হয় তার জন্য আগে থেকেই সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে রাখতে হবে।
বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী রাজনীতি সচেতন। ১৯৯০ সালের পর থেকে মোটাদাগে ৪টি নির্বাচন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পরাজিত দল সরাসরি ফলাফল মেনে না নিলেও পরবর্তীতে সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে। উপরে উল্লেখিত চ্যালেঞ্জগুলো এবার সঠিকভাবে মোকাবিলা করা অনেক কঠিন, কিন্তু অসাধ্য নয়।
নির্বাচন যাতে সঠিক, সুষ্ঠু, সুন্দর, অংশগ্রহণমূলক হয় সেজন্য সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তার ভাষণেও এই কথা বলেছেন। জমায়াতে ইসলাম ও এনসিপিকে বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে এবং জাতীয় নির্বাচন ছাড়া যে এই সংকট থেকে উত্তরণের আর কোনো পথ নেই তা হৃদয়ঙ্গম করে অপরাপর রাজনৈতিক দলের সাথে একতাবদ্ধ হয়ে নির্বাচনি কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।
দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ভোটের অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের মানুষ। শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল মানুষকে ভোটাধিকার বঞ্চিত করা। নিজের এই অপরাধপ্রবণতা এক সময় তাকে ক্ষমতালিপ্সু দৈত্যে পরিণত করে এবং হাসিনা অগণিত গুম-খুন করেন শুধুমাত্র বিরোধী দলগুলোকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য। এবং সর্বশেষ গত বছরের জুলাইয়ে নিজে হুকুম দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করতে বলে — যার ফলশ্রুতিতে জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ীই ১৪০০ এর বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। ১৩০ জনেরও বেশি শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। ১৩০০০ এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। হয়ত পা না হয় চক্ষু হারিয়েছেন।
এত ত্যাগের বিনিময়েও যদি বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো একটি জায়গায়—একটি সঠিক নির্বাচনের প্রশ্নে —এক হতে না পারে তা হবে বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক! নির্বাচনকে তার সঠিক গতিপথে আনতে হলে সর্বপ্রথম রাজনৈতিক দলগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে— তাদের সঠিক নেতৃত্ব, তৃণমূলকে নিয়ন্ত্রণ এবং নিজেদের মতদ্বৈততা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলতে হবে। তবেই বাংলাদেশ গণতন্ত্র ফিরে পাবে, দেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পাবে, নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে সংস্কার কার্যক্রম ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চলতে থাকবে। নির্বাচনী সংস্কৃতিতে আরেকটা প্রক্রিয়ায় এই নতুন বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোকে অঙ্গীকার করতে হবে, তা হচ্ছে, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়া— এবং নির্বাচিত সংসদে সকল কার্যক্রমে সঠিকভাবে অংশগ্রহণ করা।
নির্বাচনের সঠিক গন্তব্যই ফ্যাসিস্টের আস্ফালন বা পুনরুত্থানের সকল পথ রুদ্ধ করে দেবে।
প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ রায়হান
www.engr-salahuddin.com
