ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সত্ত্বেও নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের পার্লামেন্টে নিজের আসন ধরে রাখতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ান রাজনীতিক গ্যারেথ ওয়ার্ড। বর্তমানে সিডনির সিলভারওয়াটার জেলে বন্দী অবস্থায় থেকেও তিনি এমপি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
এতে বলা হয়, ৪৪ বছর বয়সি এই স্বতন্ত্র এমপি ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ১৮ ও ২৪ বছর বয়সি দুই যুবককে যৌন নিপীড়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। শিঘ্রই তার শাস্তির নির্দেশ দেবে আদালত।
এদিকে নিউ সাউথ ওয়েলসের পার্লামেন্ট সদস্যরা ওয়ার্ডকে বহিষ্কারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কিন্তু তার আইনজীবীরা এই সিদ্ধান্ত ঠেকাতে সুপ্রিম কোর্টে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেছেন। এই আবেদনের শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।
প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস কড়া ভাষায় বলেন, একজন দণ্ডিত ধর্ষক, জেলের ভেতর থেকে পার্লামেন্ট সদস্য হিসেবে থাকার চেষ্টা করছে- এটা লজ্জাজনক। তিনি যদি সত্যিকারের দায়িত্ববান হতেন, তাহলে এখনই পদত্যাগ করতেন। বিরোধী দলীয় নেতা মার্ক স্পিকম্যান বলেন, প্রতিদিন ওয়ার্ড তার আসন আঁকড়ে ধরে রাখছেন, জনগণের টাকায় তার বেতন হচ্ছে, কিন্তু কিয়ামা এলাকার মানুষ কার্যত কণ্ঠহীন হয়ে পড়েছে।
২০২১ সালে অভিযোগ ওঠার পর ওয়ার্ড মন্ত্রিত্ব ও লিবারেল পার্টি ছেড়ে দেন, কিন্তু এমপি পদে টিকে থাকেন এবং ২০২৩ সালের নির্বাচনে কিয়ামা থেকে পুনর্নির্বাচিত হন। তার বহিষ্কার হলে কিয়ামা আসনে উপনির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে পারে। আগামী মাসে গ্যারেথ ওয়ার্ডের সাজা ঘোষণা করা হবে। তিনটি অশোভনীয় আচরণ ও একটি ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি।
