
সেখান থেকে সবাই বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করতে পারবে। সেবাগ্রহীতার পরিবারও তা পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। মোবাইল ডিভাইস থেকেও এই সেবা পাওয়া যাাবে। www.borderless.clinic ওয়েবসাইট থেকে সেবাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিয়ে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের কয়েকজন চিকিৎসক জানান, তারা প্রতিনিয়ত বহু বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীকে সেবা প্রদান করেন। ভাষাগত সমস্যার কারণে অনেক সময় তাদের শারীরিক ভাষা অনুসরণ করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে। যা ক্ষতির কারণ হতে পারে। এছাড়া মানসিকভাবেও অনেকে বিপর্যস্ত থাকে। তাদের কাউন্সেলিংয়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ভাষাগত সমস্যার কারণে তা প্রদান করা সম্ভব হয় না। বর্ডারলেস ক্লিনিকের মাধ্যমে বাংলাদেশি শ্রমিকরা বাংলাভাষী চিকিৎসকদের কাছে সহজে সেবা নিতে পারবে। প্রেস কনফারেন্সে যুক্ত হন কোভিড-১৯ আক্রান্ত বাংলাদেশি শ্রমিক মোশারফ হোসেন। চাঙ্গি এক্সপোতে স্থাপিত একটি আইসোলেশন সেন্টারে অবস্থান করছেন তিনি। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মোশারফ বলেন, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসাসেবা অনেক উন্নত। ওই দেশের নাগরিকরা যে ধরণের সেবা পায় শ্রমিকরা তা পায় না। অনেক শ্রমিক অবৈধভাবে বসবাস করায় তারা বেশি বৈষম্যর শিকার। ভাষাগত সমস্যাও একটা বড় বাধা। বাংলাদেশি চিকিৎসদের সহায়তা পেলে সেখানে অবস্থানরত শ্রমিকরা উপকৃত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বর্ডারলেস হেলথ কেয়ার গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুরে প্রায় দেড়লাখ বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত আছে। যারা প্রতি বছর প্রায় ১৫ বিলিয়ন ইউএস ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠাচ্ছে। বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতের পরেই এই খাতের অবস্থান। দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা বিপুল পরিমাণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরুপ বর্ডারলেস হেলথ কেয়ার গ্রুপ এই সেবাটি চালু করেছে।
