দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমরান উকিল জানান, নিহত শুভ হাসান ও তার ছোট ভাই শান্ত হোসেন (৬) দোলেশ্বর ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার নুরানী বিভাগের ছাত্র। তারা ওই মাদ্রাসায় থেকেই লেখাপড়া করে। গত শুক্রবার মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল মোক্তাদির ছাত্র শুভ হাসানকে তার রুমে ডেকে নিয়ে বেয়াদপির অভিযোগে এনে শুভ হাসানকে লাঠি দিয়ে বেদম মারধর করে। এতে শুভ হাসান অসুস্থ হয়ে পড়ে। শনিবার সকালে সে আরো গুরুতরভাবে অসুস্থ হলে মাদ্রাসার ছাত্ররা শুভ হাসানের খালা ঝুমুর আহমেদকে খবর দেয়। এতে তারা দ্রুত শুভ হাসানকে বসুন্ধরা আদদীন হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে সেখান থেকে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার সময় শুভ হাসান মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। রাতেই ওই মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির সহায়তায় শিক্ষক হাফেজ আব্দুল মোক্তাদির কে আটক করা হয়। আটকের পর সে পুলিশকে জানায়, তার সাথে বেয়াদবি করার জন্য ছাত্র শুভ হাসানকে লাঠি দিয়ে সে বেদম পিটিয়েছে। দোলেশ্বর ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী সুলতান মোহাম্মদ সাইফুল জানান, তাদের মাদ্রাসাটি প্রায় ৫৫/৬০ বছরের পুরাতন। তাদের মাদ্রাসায় ছাত্রদের বেত্রাঘাত করা সম্পূর্ণ নিষেধ। অভিযুক্ত শিক্ষকের তারাও শাস্তি দাবি করেন।
