কাদে বলেন, নতুন সম্মেলন মানেই নতুন মুখ। আর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের ব্যাপারে কোনো আপস নেই। যথাসময়ে সম্মেলন হয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা একজন চেইঞ্জ মেকার। তিনি সবসময়ই সম্মেলনের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে থাকেন। আওয়ামী লীগের সম্মেলন নির্ধারিত সময়ে হবে সেই সম্মেলনে নবীন-প্রবীণের সমন্বয় ঘটবে। এখানে পরিবর্তন হবে, নতুন মুখ আসবে। তিনি বলেন, সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের বয়স অনেক বেশি হয়ে গেছে। ৭-৮-৯ বছর হয়ে গেছে, তাই সম্মেলন করা অত্যাবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে। সম্মেলনে দলকে ঢেলে সাজানো হবে। বুয়েটে ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর হাতে আবরার ফাহাদ হত্যাকান্ডের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আবরার হত্যাকারীরা ছাত্রলীগ পরিচয়ের হলেও প্রধানমন্ত্রী কাউকে ছাড় দেননি। হত্যাকান্ডের পরপরই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ছাত্র-শিক্ষকদের যে দাবি, তা-ও মেনে নেয়া হয়েছে। শুদ্ধি অভিযানের মতই কে কোন দল, সেটা বিবেচনায় ছাড় দেয়া হবে না, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে জড়িত সেটা বিবেচনায় নিয়েই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দলের কেউ থাকলেও ছাড় দেয়া হবে না।
