
সবাই তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করবেন। দুপুর আড়াইটার দিকে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে তার জানাজা শেষে লাশবাহী গাড়িটি নিয়ে যাওয়া হয় এফডিসির উদ্দেশ্যে। তাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে এখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন চলচ্চিত্রের অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক, প্রযোজকসহ এই অঙ্গনের অনেকে। এ সময় এফডিসিতে চিত্রনায়ক আলমগীর, ফারুক, রিয়াজ, শাকিব খান, জায়েদ খান, অভিনেত্রী সিমলা, চলচ্চিত্র-টিভিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রানী সরকারের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এফিডিসিতে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে দাফনের জন্য রানী সরকারের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তার মরদেহ দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, রানী সরকারের অভিনয়জীবন শুরু করেন ১৯৫৮ সালে। শুরুতেই মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন। নাটকের নাম ‘বঙ্গের বর্গী’। ওই বছর তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এ জে কারদার পরিচালিত ‘দূর হ্যায় সুখ কা গাঁও’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর ১৯৬২ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার এহতেশামুর রহমান পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’তে অভিনয় করেন। সেই ছায়াছবির পর থেকে তার নতুন নাম হয় রানী সরকার। ‘চান্দা’ চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর উর্দু ছবি ‘তালাশ’ ও বাংলা ছায়াছবি ‘নতুন সুর’-এ কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবি দুটি বেশ জনপ্রিয় হয়। ষাট, সত্তর ও আশির দশকের চলচ্চিত্রে তিনি বেশি অভিনয় করেন। ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ২০ লাখ টাকা অর্থ-সহায়তা দেন। একই বছর বাংলা চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেয়া হয় তাকে।
