২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ধীরে ধীরে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পথে হাঁটছে। এই সম্পর্কটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে ভারত। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই দুই রাষ্ট্রের মাঝখানে অবস্থান করছে ভারত। পাকিস্তানকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে দিল্লি। আর ঢাকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক শীতল হয়ে আছে সেই ছাত্রঅভ্যুত্থানের পর থেকে, যে অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। তিনি এখনো সেখানেই অবস্থান করছেন। ঐতিহাসিকভাবে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের তুলনায় পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। তবে তারা এটাও জানে যে তাদের প্রধান বাণিজ্য অংশীদার এবং আঞ্চলিক শক্তি ভারতকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়।
বিএনপি জানিয়েছে, তারা সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো- দিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে তাদের অত্যন্ত সূক্ষ্ম কূটনৈতিক পথ ধরে হাঁটতে হবে।
