সময়টা অন্তর্বর্তী সরকারের। দেশে প্রথমবারের মতো নিজস্ব অর্থায়নে ৭৬.৬৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে চীন থেকে দু’টি নতুন বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কিনে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসি’র মাধ্যমে কেনা ৬৩ হাজার ৬৫০ টনের জাহাজ দু’টি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বহরে যুক্ত হয়েছে। তবে জাহাজ দু’টির মানদণ্ড, টেন্ডার প্রক্রিয়া ও ক্রয়মূল্যে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। চীন থেকে কেনা এক্সএলসি লায়ন ও জেমিনি বাল্ক ক্যারিয়ার দু’টি মূলত কয়লা, আকরিক লোহা, খাদ্যশস্য, সিমেন্ট, সার, বালু, পাথর বহন করতে সক্ষম। এই ধরনের একটি আল্ট্রাম্যাক্স বাল্ক ক্যারিয়ারের আন্তর্জাতিক দাম প্রায় ৩৩ মিলিয়ন ডলার। তবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন প্রতিটি জাহাজের ক্রয়মূল্য দেখিয়েছে ৩৮.৩৪ মিলিয়ন ডলার।
মেরিন ও বাল্ক ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্প্রতি বিএসসি যে দু’টি জাহাজ সংগ্রহ করছে, তার প্রতিটির বাজারমূল্যে সর্বোচ্চ ৩২ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব ক্যাটাগরির জাহাজের দাম স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ৩২ থেকে ৩৩ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে। কিন্তু দু’টি চীনা জাহাজের দাম ৭৬ মিলিয়ন ডলার হওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষজ্ঞদের দাবি; এই প্রকল্পে সরকারের কমপক্ষে ১০ মিলিয়ন ডলার নষ্ট হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্যবসায়ী এজে রহমানের একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দিতে গোপন কৌশল অবলম্বন করে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন। কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, চূড়ান্ত ওয়ার্ক অর্ডার পাওয়া প্রতিষ্ঠানের নাম যুক্তরাষ্ট্রের হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসি। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক এজে রহমানের ছেলে তারেফ রহমান। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের হলেও জাহাজ দু’টি নির্মাণ করা হয় চীনে। কিন্তু জাহাজ দু’টি যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হয়েছে বলে প্রচার করা হয়।
বিএসসি’র নথিপত্রে দেখা গেছে, ক্রয় কাগজে উল্লেখ করা হয়, জাহাজ দু’টিতে উচ্চমানের ইউরোপীয় ও জাপানি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে। জার্মান লাইসেন্সে জাহাজগুলো চীনে উৎপাদন করা হয়েছে। এতে স্পেনে তৈরি পাম্প ও নরওয়ের কমেপ্রসার ব্যবহার করা হয়। এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন জাহাজ দু’টি অ্যারোডাইনামিক ও ডুয়েল ফুয়েলসম্পন্ন বলে দাবি করেছিলেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিএসসি’র বহরে যুক্ত হওয়া বাল্ক ক্যারিয়ার দু’টি মূলত সিঙ্গেল ফুয়েল স্লো স্পিড ডিজেল ইঞ্জিনচালিত। যা একটি অতি সাধারণ জাহাজ এবং জাহাজ দু’টি চীনের জিংজিয়াং নানায়াং শিপবিল্ডং কোম্পানিতে তৈরি হয়েছে। এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম নিউ ভেসেলস। বাংলাদেশের কেনা জাহাজ দু’টি মূলত অন্য একটি দেশের জন্য তৈরি করা হয়। পরে বাংলাদেশের কাছে তা রিসেইল করা হয়। আদতে জাহাজ দু’টি পুরোটাই চায়না যন্ত্রপাতি দিয়ে তৈরি।
দু’টি জাহাজের প্রকৃত দাম কতো: আন্তর্জাতিক জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা গেছে, একটি ফুল জাপানি যন্ত্রপাতিতে তৈরি ৬৫ হাজার টন ধারণক্ষমতার জাহাজের দাম প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার। চীন-জাপান জয়েন্টভেঞ্চারে তৈরি ৬৬ হাজার টন ক্ষমতার একটি জাহাজের দাম ৩৮ মিলিয়ন ডলার এবং একটি ৬৩ হাজার ৬৫০ টনের নতুন চীনা জাহাজের দাম ৩৩.৫ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু বাংলাদেশ রিসেইল জাহাজ কেনে সাড়ে ৩৮ মিলিয়ন ডলারে। ফলে চড়া দামে চীনা জাহাজ কেনায় নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। অস্বাভাবিক দামে কেনা দু’টি বাল্ক ক্যারিয়ারের আন্তর্জাতিক দরদাম যাচাই করার চেষ্টা করে মানবজমিন। সেই লক্ষ্যে গত ১০শে মার্চ ই- মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয় চীনের নানতং জিয়াংগু শিপিং কোম্পানির সঙ্গে। তাদের শিপইয়ার্ডে তৈরি প্রতিটি ৬৩ হাজার ৬০০ টন ডেড ওয়েট জাহাজের রেডি টু সাপ্লাই দাম জানতে চাওয়া হয়। ফিরতি মেইলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অন্তত ৮টি নতুন ও রিসেইল জাহাজের বিক্রয়মূল্যের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা হয়। ওই তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাদের শিপইয়ার্ডে নির্মাণ করা ৬৩ হাজার ৬০০ টনের কয়েকটি রিসেইল জাহাজের দাম ৩২ থেকে ৩৩ মিলিয়ন ডলার।
ওই শিপইয়ার্ডে তৈরি Anafi, Milos, Patmos, Spetses, Ios, Kimolos, Amorgos, Sikinos নামের জাহাজগুলো প্রতিটির দাম ৩২ থেকে ৩৩ মিলিয়ন ডলার দরে হ্যান্ডওভারের তথ্য দেয়া হয়। কিন্তু এসব জাহাজের যে ধরনের স্পেসিফিকেশন রয়েছে, বাংলাদেশের কেনা জাহাজের সঙ্গে হুবহু মিল যায়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক দরদাম আরও খতিয়ে দেখতে জাপানি বাল্ক ক্যারিয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেএনএস-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও একটি নতুন তৈরি ৬৩ হাজার ৬০০ টনের জাহাজের দাম ৩৩.৫ মিলিয়ন ডলার বলে জানান। সম্প্রতি তাদের শিপইয়ার্ডে তৈরি ‘সাদ্রী গ্রিন ডলফিন’ এবং ‘তাইঝহু সানফু’ নামের দু’টি জাহাজের মূল্যতালিকা পাঠিয়েছেন। সেখানে দেখা গেছে উন্নত যন্ত্রপাতি দিয়ে তৈরি জাহাজ দু’টির দাম ধরা হয়েছে মাত্র ৩৩.৫ মিলিয়ন ডলার। তারপর বাংলাদেশের বেসরকারি কোম্পানিগুলোর বাল্ক ক্যারিয়ারের দাম যাচাই করা হয়। জানা গেছে, সম্প্রতি সময়ে মেঘনা শিপিং একই ধরনের ৪টি জাহাজ কিনেছে। সেখানে কর্মরত এক ব্যক্তি জানান ওই জাহাজগুলোর প্রতিটি প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলারে কেনা হয়েছে।
জাহাজ ক্রয় প্রক্রিয়ার মূল কারিগর: তৎকালীন নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনকে প্রথমে দু’টি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ ক্রয়ের পরামর্শ দেন শিপিং করপোরেশনের এমডি কমোডর মাহমুদুল মালেক। পরে ক্যাপ্টেন জামাল হোসেনকে প্রকল্প পরিচালক বানিয়ে ও ক্রয় প্রক্রিয়ার এক্সপার্ট দেখিয়ে তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী জাহাজ দু’টি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু জামাল হোসেনের মেরিন সনদ যাচাই করে দেখা গেছে, অতীতে তিনি কখনো বাল্ক ক্যারিয়ারে কাজ করেননি। এমন কোনো অভিজ্ঞতাও তার নেই। সূত্র বলছে, জামাল হোসেনের ক্লাস-৩ মেরিন সনদও জালিয়াতি করে নেয়া এবং তার বিরুদ্ধে কেনাকাটায় অনিয়ম ও নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগ ওঠায় একটি বিভাগীয় মামলা হয়। কিন্তু গত ২ বছরেও ওই মামলার তদন্তে অগ্রগতি নেয়। তিনি গত একযুগ ধরে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন। এমন অনেক প্রমাণও মানবজমিনের হাতে রয়েছে। করপোরেশনের একটি সূত্র বলছে, এমডি মাহমুদুল মালেকের পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি ব্যক্তিগত কাজে বহুবার যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করেছেন। সেখান থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী ব্যবসায়ী এজে রহমানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয় এবং দু’টি জাহাজ কেনার কাজ পাইয়ে দেন। এতে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দরপত্রে নানা গড়মিল: বিএসসি’র পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ৩রা জুন দু’টি জাহাজ কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বিএসসি’র মহাব্যবস্থাপকের পছন্দের শিপিং কোম্পানি অংশ নেয়। এমনকি টেন্ডারের চাহিদাপত্রে এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়, যাতে বাংলাদেশি কোনো শিপিং কোম্পানি বিডিংয়ে অংশ নিতে না পারেন। টেন্ডারে অংশ নেয়া ‘প্রাইম ওশেন ট্রেড লিমিটেড, জলধী ওভারসিজ লিমিটেড, প্রিন্স ওশেস ট্রেড লিমিটেডকে শুরুতেই অযোগ্য দেখিয়ে বাদ দেয়া হয়। যে দু’টি কোম্পানিকে কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত করা হয়, এরমধ্যে হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসি ও নরভিক এনার্জি। মূলত এজে রহমান হলেন নরভিকের চেয়ারম্যান আর তার ছেলে তারিফ রহমান ব্যবসা উন্নয়ন ও কৌশল পরিচালক। এজে রহমান সমপ্রতি ‘হেলেনিক ড্রাই বাল্ক এলএলসি’ নামে একটি নতুন স্যাডো কোম্পানি খোলেন। তার ছেলে তারিফ রহমানকে সেই কোম্পানির সিইও হিসেবে নিয়োগ করা হয়। হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারসের কোনো অফিসিয়াল ওয়েবসাইটও পাওয়া যায়নি। এমনকি একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের দেয়া ঠিকানায় হেলেনিকের কোনো অফিস খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসি নামক প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৩৬ কোটি টাকায় জাহাজ দু’টি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এবং ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু হয়। মূলত বিএসসি’র কর্মকর্তাদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাবা ছেলে দু’টি শেল কোম্পানি খুলে টেন্ডার হাতিয়ে নেয়।
নথিপত্র ঘেটে দেখা গেছে, টেন্ডারে অংশ নেয়া নরভিক শিপিং আগে থেকেই বাংলাদেশ বিসিএস-এর সঙ্গে জাহাজ ভাড়ার কাজে যুক্ত ছিলেন। বিসিএস-এর মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের মাদার ভেসেল ভাড়ার টেন্ডার নরভিক নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে শিপিং করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপকের সঙ্গে নরভিকের এমডি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এজে রহমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। বাংলাদেশি একাধিক লাইটার জাহাজও এই নরভিকের মাধ্যমে ভাড়া করা হতো। নরভিকের কাছ থেকে চড়া দামে জাহাজ ভাড়া করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সূূত্র মতে, তেল পরিবহনকারী ট্যাংকার এবং দু’টি সাধারণ পণ্য পরিবহনের বাল্ক জাহাজ যুক্ত হওয়ার পর বিএসসি’র বহরে জাহাজের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতটিতে। বিএসসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে জাহাজ কেনা হয়। জাহাজ দু’টির প্রতিটির পণ্য পরিবহনের ক্ষমতা ৬০ হাজার ৬৫০ টন।
প্রকৃত বাজারমূল্যে যাচাই করতে এসআর শিপিং লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার মেহেরুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি মানবজমিনকে বলেন, বাজার হিসেবে বর্তমানে একটি ৬৩ হাজার ৬০০ টনের জাহাজের দাম ২৮ থেকে ৩০ মিলিয়ন ডলার হবে। এখানে একটা ব্রাকার কমিশন থাকে। সেক্ষেত্রে প্রায় ৩০-৩১ মিলিয়ন হওয়ার কথা। তবে সেটা যদি চায়না বিল্ড হয়। জাপানি হলে দাম আরেকটু বাড়তে পারে। তখন ৩৩ মিলিয়ন সামথিং হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় এক বায়ার অর্ডার করেছে এবং জাহাজ ৮০ শতাংশ রেডি হওয়ার পর আরেকজনের কাছে বিক্রি করে দেন। তখন দাম আরও কমতে পারে। শিপিং করপোরেশনের দু’টি জাহাজের দাম কেমন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওগুলোর দাম ৩০ থেকে ৩১ মিলিয়ন ডলার হওয়ার কথা। আকিজ শিপিং লিমিটেডের এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, এই ধরনের জাহাজের আন্তর্জাতিক মূল্যে তালিকা দেখলে দেখবেন ২৮ থেকে ৩০ মিলিয়ন ডলার দেখাবে। তবে ব্রোকার চার্জ এড হলে তখন আরও ২ মিলিয়ন বাড়তে পারে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প পরিচালক ক্যাপ্টেন মো. জামাল হোসেন তালুকদার মানবজমিনকে বলেন, আমি প্রকল্প পরিচালক সেটা ঠিক আছে, কিন্তু জাহাজ সংক্রান্ত বিষয়ে আমার কথা বলা নিষেধ আছে। আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে আগ্রহী না। আমাদের কেনা জাহাজ দু’টি ভালো চলছে, এবং লাভজনক অবস্থায় আছে। বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে জাহাজ কেনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়টি স্পর্শকাতর। আমি আর আলাপ করতে চাচ্ছি না। দাম দরের বিষয়ে ঊর্ধ্বতনরা ভালো বলতে পারবেন।

no need
২ মাস আগেBangladesh-e ''Oboidho vabea onek Sampood Uparjon koirea'' ki 'kaw or kaw kaw' ki ''shudhu shukh, santi'' teaa asea naki ?