জনগণের ম্যান্ডেটকে অপমান করায় রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

জনগণের ম্যান্ডেটকে অপমান করায় রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের

ফন্ট সাইজ:

জনগণের ম্যান্ডেটকে অপমান করায় রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ গণভোটে রায় দিয়েছে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে, সংশোধনের জন্য নয়। কিন্তু সরকার জনগণের সেই চূড়ান্ত রায়কে বেমালুম অগ্রাহ্য করে অপমান করেছে। এর প্রতিবাদেই আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছি।

তিনি জানান, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটের রায় অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একইসঙ্গে সংসদ সদস্য এবং ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী তাদের দুটি শপথ নেয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু সরকারি দলের সদস্যরা শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও, সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

সংসদের ভেতরে বিরোধী দলের পদক্ষেপ তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, নিয়ম অনুযায়ী গ্যাজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করার কথা থাকলেও সরকার তা করেনি। বাধ্য হয়ে আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে নোটিশ দেই। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার আলোচনার সুযোগ দেয়া হলে আইনমন্ত্রী জনগণের সংস্কারের দাবিকে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। আমরা তখনই বলেছি, সংস্কার আর সংশোধন এক জিনিস নয়। সরকার জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে প্রতারণা করছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরে জনগণের ওপর যে ফ্যাসিবাদ চাপানো হয়েছিল, তার যাঁতাকলে বিনা বিচারে ২৬৬৩ জন মানুষকে খুন করা হয়েছে। গুম হয়েছেন ২৫০ জনের বেশি মানুষ, যাদের খোঁজ আজও মেলেনি। আয়নাঘরের মতো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করে মানুষকে ৮-৯ বছর বন্দি রাখা হয়েছে। সেই অমানবিক ব্যবস্থা থেকে মুক্তির জন্যই জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান এবং সংবিধান সংস্কারের এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।

ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়েই আমরা ওয়াকআউট করেছি। তবে আমরা সংসদ ছেড়ে দেইনি (গিভ আপ করিনি)। আমরা এখন আবার সেই জনগণের কাছেই ফিরে যাব। আমাদের ১১টি দলের জোট দ্রুতই একত্রে বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করবে। জনগণের দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই।

এ.টি রক্সি

৩ মাস আগে

আপনারা কি পাগল না অসুস্থ? জুলাই তো আপনারাই মানেন না। জুলাইয়ে আছে ৫% নারী আসন দেবেন, ১ জনও দিলেন না, ডেপুটি স্পীকার বিরোধী দল থেকে হবে। আপনারা নে নাই। তাহলে আপনারাই তো জুলাই বিরোধী। এখন সংসদ থাকতে রাজপথে কেন ? রাজপথে আর মব হতে দেয়া হবে না। এবার আপনাদের ইউনুস গং নেই। জনগণ আপনাদের রুখে দিবে।

M J Hussain

৩ মাস আগে

এই দলটি ১৯৪৭ জাতীর সাথে বিসসাসঘাতকথা করেছে, ১৯৭১ স্বাধীনতা বিরোধিতা করেছে, হানাদারদের সাথে হাথ মিলিয়ে লক্ষ লক্ষ লোককে হত্যা করছে, ১৯৯৬ সালে স্বৈরাচার হাসিনার সাথে হাত মিলিয়েছে। এখন আবার দেশে অসান্তি, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টির পায়তারা করছে। কথায় কথায় রাজপথে নামার হুমকি দিচ্ছে।

যা বলার সংসদে বলুন। রাজপথে নেমে জনগণের জীবন যাত্রা কে বায়হত, বিঘ্নিত করবেন না। আমরা সাধারন মানুষ এটা হতে দিবনা। ইরান যুধধের জন্য মানুশের অনেক ভঘান্তি। এর মধ্যে অরাজগতা স্রিস্তি করবেন না। জনগণ দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে।

Abdul Matin Sikder

৩ মাস আগে

আপনার সাথে জনগনের ১৮ মাসের অপকর্মের হিসাব বাকী রয়ে গেছে, সেই হিসাব আগে দিন তারপর আন্দোলনে নামবার চিন্তা করুন, নাহয় পথে নামলে জনগন কিন্তু কলার ধরে ছেচা দিয়ে হিসাবগুলো নিয়ে নিবে, সাবধান।

Abdul Matin Sikder

৩ মাস আগে

দেশের কঠিন দুঃসময়ে দেশকে মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে অস্থিতিশীল রেখে নতুন স্বৈরাচার হওয়ার খায়েসে নির্বাচন বানচাল করতে যারা গনভোটের ফাঁদ পেতেছিলো আমরা তাদের কঠিন বিচার দেখতে চাই। তিন মাসের নির্বাচনকে অপকৌশল করে যারা ১৮ মাস পর্যন্ত নিয়ে ঠেকিয়েছে, এই সময়ে সরকারী টাকা রিতীমতো লুটপাট করেছে আমরা তাদের যথোপোযুক্ত শাস্তি হোক তা অবশ্যই দেখতে চাই।

Mukit

৩ মাস আগে

ইরানের পাশে থেকে অনুগ্রহ করে প্রমাণ করুন যে আপনি সর্বদা ন্যায়বিচারের পক্ষে এবং একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ মুসলিম উম্মাহর জন্য কাজ করেন। অথচ আপনি ইরানের জন্য কিছুই করেননি, যারা একটি অন্যায় ও জোরপূর্বক যুদ্ধের সম্মুখীন। এটা সত্যিই আমাদের সকলের জন্য একটি লজ্জাজনক কাজ।

জনতা

৩ মাস আগে

কোন ম্যান্ডেটের কথা বলছেন? হ্যাঁ ভোট। সেটা কীভাবে হয়েছে সেটা জনগণ জানে? এরকম প্রতারণামূলক নির্বাচন ফ্যাসিস্ট হাসিনার কথায় মনে করে দেয়। এবার একটা গণভোট হোক জামায়াত বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে কী না? একটাই প্রশ্ন, কোন প্যাচঁ, প্রতারণা নয়। রাজী আছেন? যদি জিতেন তাহলে সংবিধান ছুড়ে ফেলা হবে।

রুহেল

৩ মাস আগে

তাড়াতাড়ি নামুন ১৯৯১-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ধৈর্য ধরেছিলেন, এবার এতো সময় কোথায়? আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে তাড়াতাড়ি নামুন। জনগণকে বলে বেড়াচ্ছেন আপনারা জিতেছিলেন, আপনাদের হারানো হয়েছে। জনগণকে দেখিয়ে দিন আপনাদের জনপ্রিয়তা!

মন্তব্য করুন