চলমান বৈশ্বিক সংকটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও অফলাইন (সশরীরে) ক্লাস নেয়া চালুর পরিকল্পনা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জোড় তারিখে অনলাইন ও বিজোড় তারিখে অফলাইন (সশরীরে) ক্লাস নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো অফলাইনেই নেয়া হবে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর রেশ পড়েছে বাংলাদেশে। তাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটির তিনদিন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস নেয়াসহ আটটি পরিকল্পনা করেছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে স্কুল পর্যায়ে অনলাইনে ক্লাস চালুর কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনার পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ওয়ার্ল্ড ওয়াইজ, ক্রাইসিস নট অনলি বাংলাদেশ অ্যান্ড উই ডোন্ট নো হাউ লং দিস ক্রাইসিস উইল কন্টিনিউ। সেই কারণে আমরা ভাবছি যে, আমাদের স্কুল সিস্টেম অনলাইনে এনে তাদের ‘অন অ্যান্ড অফ’ সিস্টেম করবো। মনে করেন সাপ্তাহিক পাঁচদিন ক্লাস ছিল। এখন আমরা ক্লাস লস করেছি- রোজার ছুটিতে এবং বিভিন্ন রকম আন্দোলন সব মিলিয়ে আমরা স্কুল আওয়ারটাকে সিক্স ডেইজে উইক করছি। ইন দি মিন টাইম আমাদের ফুয়েল ক্রাইসিস, ইন্টারন্যাশনাল এই ক্রাইসিসের কারণে আমরা ভাবছি যে ‘অন অ্যান্ড অফ’ ব্র্যান্ডিং করা যায় কি না। এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
এহছানুল হক মিলন বলেন, ইতিমধ্যে আমরা একটা জরিপ করেছি। সেই সার্ভেতে ৮৫% পিপল চাচ্ছে, ইউজাররা চাচ্ছে তারা যেন, অনলাইনে যায়। বাট কমপ্লিটলি অনলাইনে যদি যাওয়া হয় আমরা আবার আন সোশ্যাল হয়ে যাবো। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি।

Nur
২ মাস আগেজরিপের মধ্যে কে যে থাকে আমি বুঝতে পারছি না, আমাদের জাতির কি হবে আল্লাহ জানে, কাওমি মাদ্রাসায় আবার ভীড় শুরু হবে