বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও সংগঠক ফয়সল আহমেদ চৌধুরী। ৩রা নভেম্বর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-২ এর সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তানভীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাঁর দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি জানা গেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রাজনীতি ও প্রবাসী সংগঠনে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে তার। ২০০৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার দফায় কানাডা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় চার দশক ধরে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত ফয়সল এ চৌধুরী। ১৯৮৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত নুপূর ইনভলভমেন্ট ইনকর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, আবাসন ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা।
ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি কানাডায় সরকারি পর্যায়েও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দেশটির কুইবেক পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কো-অপারেটিভ হাউজিংবিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির সংগঠন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। তিনি কানাডার জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব কানাডার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। পাশাপাশি হিউম্যান রাইটস কনসার্ন অব কানাডার নির্বাহী সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন সক্রিয় মিস্টার চৌধুরী ২০০৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার দফায় কানাডা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক উদ্যোগেও যুক্ত ছিলেন তিনি। মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, মৌলভীবাজার কলেজ থেকে (বর্তমানে সরকারি) এইচএসসি সম্পন্ন করেন ফয়সল এ চৌধুরী। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) এবং কানাডার ইউনিভার্সিটি অব লাভাল থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। মৌলভীবাজার জেলার একাটুনা ইউনিয়নের বড়কাপন গ্রামের বাসিন্দা ফয়সল আহমেদ চৌধুরী ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। দুই ছেলে ও দুই কন্যা সন্তানের জনক।
