ইরানের সাত শর্ত

ইরানের সাত শর্ত

ফন্ট সাইজ:

যুক্তরাষ্ট্র শর্ত মানলে হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে ইরান। এই বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দুই দিনের একটি পরিকল্পনার অধীনে এই নৌপথ আবার খুলে দেয়া হতে পারে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে তাদের কথা হচ্ছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।

ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসিন রেজাই জানান, তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাঠানো একটি চিঠি পড়েছেন। ওই চিঠিতে ওয়াশিংটনের সুর সম্পূর্ণ বদলে গেছে বলে তিনি জানান। এই পরিবর্তনকে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন রেজাই। এর আগে সেপ্টেম্বরে তেহরান কিছু শর্তের কথা জানায়। এখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি শান্তি আলোচনা শুরু এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য সেই সাতটি শর্তের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এই শর্তগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে জুলাইয়ে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা। দ্বিতীয়ত, ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমাতে হবে। তৃতীয়ত, জুনে ওই সমঝোতার অংশ হিসেবে দেয়া তেলের ছাড়গুলো পুনর্বহাল করতে হবে। এছাড়া কাতারে আটকে থাকা অর্থসহ বিদেশের মাটিতে ইরানের সব জব্দ করা তহবিল ছেড়ে দেয়ার শর্ত দিয়েছে তেহরান।

পঞ্চম শর্ত হিসেবে ইরান ও ওমানের নির্ধারিত হরমুজ প্রণালির নতুন জাহাজ চলাচলের পথটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং অন্যান্য সব পথ বন্ধ করতে হবে। ষষ্ঠ শর্তে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে তারা, বিশেষ করে লেবাননে ইসরাইলের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। সর্বশেষ শর্ত হিসেবে রেজাই আগেই জানিয়েছিলেন, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে। একইসঙ্গে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ এবং বিপ্লব বিরোধীদের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা চিরতরে বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে।