কোন পথে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম?

প্রসঙ্গ সশস্ত্র হামলা

কোন পথে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম?

ফন্ট সাইজ:

রাজনৈতিক উত্তরণের সংকট থেকে সশস্ত্র সংঘাতের ঝুঁকির কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি নাকি আবার সংঘাতের মুখোমুখি হবে, এমন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের নাজুক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবার উদ্বেগজনক প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে আছে—কোন পথে যাচ্ছে এই অঞ্চল? শান্তিচুক্তির পর দীর্ঘ সময় ধরে প্রত্যাশা ছিল, পাহাড়ে রাজনৈতিক সমাধান, জাতিগত সম্প্রীতি, ভূমি অধিকার, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের পথ খুলে যাবে। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রত্যাশা অনেকাংশে অপূর্ণ রয়ে গেছে। এখন নতুন করে সশস্ত্র সংঘাত, হানাহানি, অপহরণ, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের প্রসার, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নিরাপত্তা-ভঙ্গুরতার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

২০২৪ সালে থানচিতে থানায় হামলা, ব্যাংক লুট, অস্ত্র ছিনতাই এবং চলতি মাসে সাজেকে অবরোধ ও গোলাগুলির ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে যে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা আর কেবল উন্নয়ন-ঘাটতি বা প্রশাসনিক অবহেলার বিষয় নয়। এটি এখন একটি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের রূপ নিচ্ছে। প্রশ্ন হলো—পাহাড়ি রাজনীতি কি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উত্তরণের পথে যাচ্ছে, নাকি আবার সশস্ত্র প্রতিযোগিতা ও সংঘাতের দিকে ফিরে যাচ্ছে?

সমস্যাটি অনুধাবনে পাহাড়ি রাজনীতির মূল সংকট সম্পর্কে অবহিত হওয়া দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতির মূল সংকট হলো—শান্তিচুক্তির পর একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক ও প্রতিনিধিত্বমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থা পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শান্তিচুক্তি সংঘাত বন্ধের একটি ভিত্তি তৈরি করেছিল, কিন্তু তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেনি। চুক্তির অমীমাংসিত বিষয়গুলো—ভূমি কমিশনের কার্যকারিতা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন, পুলিশি ক্ষমতা, জনগণের প্রতিনিধিত্ব, ভূমি অধিগ্রহণ, উদ্বাস্তু পুনর্বাসন এবং রাজনৈতিক অধিকার—দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থেকে গেছে।

এই অমীমাংসার ফলে পাহাড়ি রাজনীতি একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় আটকে আছে। একদিকে সংসদীয় নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও প্রশাসনিক কাঠামো বিদ্যমান; অন্যদিকে অনেক পাহাড়ি জনগোষ্ঠী মনে করেন যে তাদের রাজনৈতিক অধিকার, সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও ভূমি নিরাপত্তা পূর্ণভাবে নিশ্চিত হয়নি। এই ব্যবধান থেকেই হতাশা, অবিশ্বাস ও রাজনৈতিক বিকল্পের সংকট তৈরি হয়েছে।

পাহাড়ে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক উত্তরণের পথ তখনই খোলে, যখন জনগণ নিজেদের দাবি প্রকাশ, সংগঠন, প্রতিনিধিত্ব ও সমাধানের জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানে আস্থা রাখতে পারে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে এই আস্থা দুর্বল নানা কারণে:

প্রথমত, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। পাহাড়ি রাজনীতি বিভিন্ন দল, ধারা ও সংগঠনে বিভক্ত। এই বিভাজন আদর্শগত পার্থক্যের চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে ক্ষমতা, প্রভাব, ভূমি, ব্যবসা, টেন্ডার, বন সম্পদ, পর্যটন ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিযোগিতার ফল।

দ্বিতীয়ত, তরুণ প্রজন্মের জন্য পরিষ্কার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, দক্ষতা, উদ্যোক্তা সহায়তা ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের অভাব তরুণদের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে। এই হতাশা সহজেই চরমপন্থা, সশস্ত্র রাজনীতি বা সহিংস প্রতিবাদের পথে যেতে পারে।

তৃতীয়ত, রাষ্ট্র ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে। অনেক পাহাড়ি মানুষ মনে করেন, রাষ্ট্র তাদের সমস্যা বোঝে না এবং প্রশাসন তাদের প্রতিনিধিত্ব করে না। অন্যদিকে রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বাহিনী সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম ও সীমান্ত-ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই পারস্পরিক অবিশ্বাস সংলাপের পরিবেশ দুর্বল করে।

ফলস্বরূপ, সশস্ত্র সংঘাতের নতুন রূপ দৃশ্যমান হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামে। যদিও পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্রতা নতুন কিছু নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এর রূপ বদলেছে। আগে সংঘাত মূলত রাজনৈতিক দাবি, সশস্ত্র সংগ্রাম ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কাঠামোয় ছিল। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপরাধ, চাঁদাবাজি, জমি দখল, টেন্ডারবাজি, ব্যাংক লুট, অস্ত্র ছিনতাই, অপহরণ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।

থানচিতে ব্যাংক লুট ও থানায় হামলার ঘটনা দেখায় যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এখন কেবল রাজনৈতিক প্রতীক নয়; তারা অর্থ, অস্ত্র ও প্রভাব অর্জনের ক্ষমতাও অর্জন করছে। সাজেকে সড়ক অবরোধ, পর্যটক আটকে পড়া এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি দেখায় যে সংঘাত সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা থেকে সাধারণ নাগরিক জীবন ও পর্যটন অর্থনীতিতেও ছড়িয়ে পড়ছে।

এই পরিবর্তন বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ সশস্ত্রতা যখন রাজনৈতিক দাবির সঙ্গে অপরাধিক অর্থনীতি মিলিত হয়, তখন তা সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। তখন সংঘাতের উদ্দেশ্য শুধু রাজনৈতিক দাবি নয়; অর্থ, প্রভাব, অস্ত্র ও নিয়ন্ত্রণও হয়ে ওঠে।

এসব ঘটনার পেছনে স্থানীয় ইন্ধন, ক্ষোভ, বঞ্চনা ও প্রতিযোগিতা লুক্কায়িত রয়েছে। সশস্ত্র সংঘাতের পেছনে স্থানীয় ইন্ধন সুস্পষ্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ঐতিহাসিক বঞ্চনা, ভূমি সংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষ। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অনেকে মনে করেন, তাদের ভূমি, বন, নদী, পাহাড় ও জীবিকার ওপর নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প, পর্যটন, বাণিজ্যিক বৃক্ষরোপণ, শিল্প, সেতু-সড়ক ও নগরায়ণ সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু সেই সুযোগের বণ্টন সবসময় ন্যায্য হয়নি। কেউ কেউ মনে করেন, তাদের ঐতিহ্য, ভাষা, সামাজিক কাঠামো ও রাজনৈতিক পরিচয় প্রান্তিক হয়ে পড়েছে।

এই অসন্তোষকে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো রাজনৈতিক মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এই বয়ান সহজ ও আবেগপূর্ণ, তাই হতাশ তরুণদের আকর্ষণ করতে পারে। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতা, টেন্ডার, ব্যবসা, বন সম্পদ, পর্যটন ও ভূমি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিযোগিতা রয়েছে। এই প্রতিযোগিতা যখন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না এবং সশস্ত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তা হানাহানি ও সংঘাতে রূপ নেয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সংকট শুধু অভ্যন্তরীণ নয়; এর সঙ্গে সীমান্ত ও আঞ্চলিক রাজনীতিও জড়িত। বান্দরবানের বিস্তীর্ণ সীমান্ত অঞ্চল, পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, দুর্গম যোগাযোগ এবং আন্তঃসীমান্ত চলাচলের সুযোগ সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রমে সহায়ক হতে পারে।
অবৈধ অস্ত্র, মাদক, মানবপাচার, অর্থপ্রবাহ ও সীমান্তপার যোগাযোগ সশস্ত্র গোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়াতে পারে। সীমান্তের ওপারে রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতিগত সংঘাত বা সশস্ত্র কার্যক্রম থাকলে তার প্রভাব বাংলাদেশের পাহাড়েও পড়তে পারে।

এখানে সতর্কতা প্রয়োজন। সব সমস্যাকে বিদেশি ষড়যন্ত্র বলে ব্যাখ্যা করলে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা আড়াল হয়ে যায়। আবার সীমান্ত-সংযোগ ও বহিঃস্থ সহায়তার ঝুঁকি অস্বীকার করলে নিরাপত্তা নীতি অসম্পূর্ণ থাকে। সঠিক বিশ্লেষণ হলো—অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও বহিঃস্থ ইন্ধন একসঙ্গে কাজ করে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি করে।
তাই, প্রথম দায়িত্ব নাগরিকের জীবন, সম্পদ ও চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সশস্ত্র হামলা, ব্যাংক লুট, অপহরণ, অস্ত্র ছিনতাই ও সরকারি স্থাপনায় আক্রমণের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনকে দৃঢ় হতে হবে।

কিন্তু শুধু অভিযান, গ্রেপ্তার বা প্রশাসনিক উপস্থিতি বাড়িয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। দমন সাময়িকভাবে সংঘাত কমাতে পারে, কিন্তু তার মূল কারণ—রাজনৈতিক বঞ্চনা, ভূমি সংকট, তরুণদের হতাশা ও প্রতিনিধিত্বের ঘাটতি—অমীমাংসিত থাকলে সংঘাত আবার ফিরে আসবে।

তাই নিরাপত্তা নীতির সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক নীতিও যুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে দৃঢ় ও সংবেদনশীল পদক্ষেপ নিতে হবে—সশস্ত্র অপরাধের বিরুদ্ধে দৃঢ়, কিন্তু সাধারণ পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদার প্রতি সংবেদনশীল।

পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন। জনগণ যদি মনে করে যে প্রশাসন কেবল অভিযান চালাতে আসে, কিন্তু তাদের দৈনন্দিন সমস্যা, জমি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও জীবিকার প্রশ্নে অনুপস্থিত, তাহলে নিরাপত্তা সহযোগিতা দুর্বল হবে। তাই স্থানীয় জনগণকে নিরাপত্তার অংশীদার করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কারবারি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, নারী প্রতিনিধি, তরুণ সমাজ, ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত নিরাপত্তা সংলাপ প্রয়োজন।

স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, ভয়, চলাচলের সমস্যা, ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ, অপরাধের প্রবণতা এবং সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্যকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তথ্যদাতাদের পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণকে শুধু তথ্যদাতা হিসেবে ব্যবহার করে পরে তাদের সুরক্ষা না দিলে আস্থা নষ্ট হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তির জন্য একটি নতুন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রোডম্যাপ প্রয়োজন। এর মধ্যে থাকতে হবে—শান্তিচুক্তির অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন পরিকল্পনা। ভূমি কমিশনকে কার্যকর, স্বাধীন ও জবাবদিহিমূলক করা। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ও প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা। ভূমি, বন, নদী ও জীবিকা সংক্রান্ত বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি। তরুণদের জন্য শিক্ষা, দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা সহায়তা। নারীদের নিরাপত্তা, অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করা। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নিয়মিত নিরাপত্তা সংলাপ। সীমান্ত গোয়েন্দা সমন্বয় ও অবৈধ অস্ত্র-অর্থপ্রবাহ রোধ। পর্যটন ও উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের সম্মতি ও অংশগ্রহণ। সশস্ত্র অপরাধের বিরুদ্ধে লক্ষ্যনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযান। নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবদিহি ও মানবাধিকার রক্ষা। গুজব প্রতিরোধে স্বচ্ছ ও দ্রুত তথ্যপ্রবাহ।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সংকট এখন একটি সতর্কবার্তা। রাজনৈতিক উত্তরণের পথ যদি বন্ধ থাকে, তাহলে সশস্ত্র সংঘাতের পথ খুলে যেতে পারে। হতাশা, বঞ্চনা, অবিশ্বাস ও প্রতিযোগিতা যখন সশস্ত্র সংগঠন ও বহিঃস্থ ইন্ধনের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন শান্তি ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।
তাই,শুধু সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দমন করা নয়; সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করা, রাজনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখা এবং ন্যায়সংগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি। পাহাড়ে শান্তি আসবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি আস্থা, ন্যায়, জনঅংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সমাধান ও জবাবদিহির সমন্বয়ে।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি হলো—পার্বত্য চট্টগ্রাম কি আবার সশস্ত্র সংঘাতের পথে যাবে, নাকি শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উত্তরণের পথে এগোবে? এই উত্তর নির্ধারিত হবে প্রশাসনের নীতি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং শান্তির প্রতি সম্মিলিত অঙ্গীকারের সফলতার মাধ্যমে।

লেখক: প্রফেসর ও চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)।