বিশ্বকাপে রেফারির সমালোচনার পর মিশরীয় শিবিরে নিষেধাজ্ঞা

বিশ্বকাপে রেফারির সমালোচনার পর মিশরীয় শিবিরে নিষেধাজ্ঞা

ফন্ট সাইজ:

আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়ার পর রেফারির কড়া সমালোচনা করায় বড় ধরনের শাস্তি পেলো মিশরীয় শিবির। ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি দলটির কোচ হোসাম হাসান এবং ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিওকে যথাক্রমে তিন ও পাঁচ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। মিশরের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) সোমবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত ৭ই জুলাই আটলান্টায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে ঘটনাটি ঘটে। রেফারিদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে দল টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় বলে অভিযোগ করেন ৬০ বছর বয়সী কোচ হাসান। এছাড়া ম্যাচ-পরবর্তী এক সাক্ষাৎকারে রেফারিকে অপমানজনক মন্তব্য করার দায়ে ফরোয়ার্ড জিওর ওপর পাঁচ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। হোসাম হাসানের যমজ ভাই ও জাতীয় দলের পরিচালক ইব্রাহিম হাসানকেও তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

ইএফএ বিবৃতিতে বলে, ‘সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে হোসাম হাসান ও ইব্রাহিম হাসানকে তিনটি করে ম্যাচে এবং জিওকে পাঁচটি ম্যাচে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’ মিশরীয় ফুটবল ফেডারেশন আরও জানায়, তারা এই শাস্তির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ও আপিলের বিষয়টি বিবেচনা করতে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির কাছে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ বা গ্রাউন্ডস চেয়ে আবেদন করেছে।

ম্যাচটিতে স্কোর ২-২ থাকা অবস্থায় খেলার শেষ দিকে একটি পেনাল্টির জোরালো আবেদন করে মিশরীয় খেলোয়াড়রা। এর আগে জিওর একটি গোলও ফাউলের অভিযোগে বাতিল করা হয়। ম্যাচের পর রেফারিকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জিকো বলেন, ‘রেফারি একদমই ভালো ছিলেন না। শুরু থেকেই তিনি আমাদের বিরুদ্ধে ছিলেন।’

তবে ফিফার রেফারি প্রধান পিয়েরলুইগি কলিনা বলেন, এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ রেফারি এবং তাদের পরিবারকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে পারে।

এই নিষেধাজ্ঞার কারণে আসন্ন নভেম্বরে আফ্রিকান নেশনস কাপের বাছাইপর্বে মালাউইয়ের বিপক্ষে এবং মার্চের প্রীতি ম্যাচে কোচ হোসাম ও ইব্রাহিম হাসানকে ডাগআউটের বাইরে থাকতে হবে। অন্যদিকে ফরোয়ার্ড জিও আগামী জুন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামতে পারবেন না।