শারদীয় দুর্গাপূজা পরিদর্শনে রংপুরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাকে বরণ করে নিতে নতুন রংয়ে সাজছে রংপুর। তোড়জোড় শুরু হয়েছে রংপুর নগরীকে গোছাতে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আনন্দে ভাসছে রংপুরের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে তারাও প্রস্তুত। এদিকে, তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে মাঠে নেমেছে পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিজিবি।
সরজমিন দেখা যায়, নগরীর ডিসির মোড় থেকে চেকপোস্ট পর্যন্ত সড়কের চলমান কাজের গতি বেড়েছে। দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা সড়ক উন্নয়নের কাজটি দুইদিনের মধ্যেই শেষ পর্যায়ে চলে গেছে। এ ছাড়াও রংপুর সিটি করপোরেশনে ১৮শ’ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও স্বাগত জানিয়ে ব্যানার ফেস্টুন, বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে পুরো নগর।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী আসবেন নগরীর ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরে। তাই এ মন্দিরকে আরও জাঁকজমকভাবে সাজানো হচ্ছে। নগরীর রোড ডিভাইডারগুলো রাঙানো হচ্ছে লাল-সাদা রংয়ে। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হচ্ছে গাছ। সেইসঙ্গে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা অনিন্দিতা কুণ্ডু বলেন, প্রথম বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী রংপুরে আসছেন আমাদের সঙ্গে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে, তাই আমরা খুবই আনন্দিত।
বিজয় চন্দ্র বলেন, সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রীর রংপুর সফর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে হিন্দু ধর্মের মানুষদের মাঝে। প্রধানমন্ত্রীকে সুস্বাগত।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রশীদ বলেন, ভিভিআইপি প্রটোকলের ক্ষেত্রে আমাদের দিকনির্দেশনা দেয়া রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এসএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করছি। এ ছাড়া, আমাদের গোয়েন্দা সদস্যরা মাঠে কাজ করছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এড. মাহফুজ উন নবী চৌধুরী সশরীরে উপস্থিত থেকে নগরীর উন্নয়নমূলক কাজগুলো পরিদর্শন করছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন রংপুরের জন্য সুফল বয়ে নিয়ে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
রংপুর মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম মিজু বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে নেতাকর্মীসহ রংপুরবাসী উদগ্রীব হয়ে আছে।
