ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

ফন্ট সাইজ:

সুপারি গাছের কয়েক ছড়া সুপারি পাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই মজিবুল ইসলাম (৪৫) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও সন্তানদেরও মারধর করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার বিকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ব্রহ্মপুর গ্রামে। নিহত মজিবুল ওই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

জানা যায়, বিবাদের গোড়াপত্তন হয় শুক্রবার দুপুরে। বাড়ির আঙিনার একটি গাছ থেকে কিছু সুপারি পেড়েছিলেন বড় ভাই মজিবুল ইসলাম। এতে ক্ষিপ্ত হন ছোট ভাই রবিউল ইসলাম। সেই ক্ষোভের জের ধরে শনিবার বিকালে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা উভয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারিতে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে ছোট ভাই রবিউল কাঠ বা বাঁশের লাঠি দিয়ে বড় ভাই মজিবুলের মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। এ সময় স্বামীকে রক্ষা করতে এসে আঘাতের শিকার হন মজিবুলের স্ত্রী ও ছেলে। এতে তিনজনই গুরুতর রক্তাক্ত হন।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রতিবেশীরা মজিবুলকে উদ্ধার করে দ্রুত শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় তার। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম গা-ঢাকা দিলেও তার স্ত্রী মিলি খাতুনকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করে। শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর মোল্লা জানান, ‘সুপারি পাড়াকে কেন্দ্র করে ভাইয়ে-ভাইয়ে হাতাহাতি ও লাঠির আঘাতেই মজিবুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর গ্রামবাসী রবিউলের স্ত্রীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। অভিযুক্ত প্রধান আসামি রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান জোরদার করেছে।’