নোয়াখালীতে জিয়া চত্বরে হাদির ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক

ফন্ট সাইজ:

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবি টানিয়ে জিয়া চত্বর উদ্বোধনের ঘোষণার একদিন পরে আজাদী মঞ্চের নেতাকর্মীরা হাদির ছবি লাগিয়ে হাদি চত্বরের নাম ঘোষণা দেওয়ায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি এখন টক অব দ্যা নোয়াখালীতে পরিণত হয়েছে। গতকাল বিকালে জিয়াউর রহমান ছবির জায়গায় হাদির ছবি টানিয়ে হাদি চত্ত্বর ঘোষণা দেয় আজাদি মঞ্চের নেতারা। এরআগে বৃহস্পতিবার বিকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতারা জিয়াউর রহমানের ছবি টানিয়ে জিয়া চত্বর ঘোষণা করে।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা সমালোচনা। নোয়াখালী জেলার যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খানের দাবি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি ব্যক্তিগতভাবে জিয়াউর রহমানের ছবি লাগিয়েছে যেটা বিএনপি দলীয় বা নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে লাগায়নি তারা। যদিও পূর্বে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বরটি হাদি চত্বর ঘোষণা করে এনসিপি নেতারা। তবে বিএনপি এসব হিংসার রাজনীতি বিশ্বাস করে না। এ বিষয়ে আজাদি মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ হোসেন আপন জানান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বিতর্কিত করতেই হাদি চত্বরের জায়গায় জিয়া চত্বর ঘোষণা করে। জিয়াউর রহমানকে সবাই শ্রদ্ধা করে। হাদিও জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করেছিলেন।

তবে নোয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ জানান,এ কাজটি তারা একদম ঠিক করেনি।এ বিষয়ে ডিসি,এসপিকে অভিযোগ জানানো হয়েছে।দেশের স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান প্রতি তারা অবমাননা করেছে।জিয়া চত্ত্বরটি ঘোষণা বিএনপির পক্ষ থেকে করা হয়নি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পক্ষ থেকে করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান আদর্শবান লোক ছিলেন যে কেউ উনাকে ভালোবাসতে পারে। এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বক্তব্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত: এরআগে নোয়াখালীর বঙ্গবন্ধু চত্বরকে হাদি চত্বর’ ঘোষণা করে জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি)।