বাংলা অতএব ‘ক্ষমতার ভাষা’, উচ্চশিক্ষার ভাষা কিংবা আর্থিক সাফল্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি।
ইতিমধ্যে, গত শতাব্দীর আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রপরায়ণ বুদ্ধিজীবী সমাজে আবির্ভূত ‘ভাষা-বিতর্কের’ পরিপ্রেক্ষিতে, ১৯৮৭ সালে, ‘বাংলাভাষা প্রচলন আইন’ প্রবর্তন করা হয়। আইনটিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস, আদালত, আধাসরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সাথে যোগাযোগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আদালতের সওয়াল জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখিতে হইবে।” এই আইনে আরও বলা হয়, “কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন, তাহা হইলে উহা বেআইনি ও অকার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে।”এই আইন লঙ্ঘনের জন্য রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের শাস্তির বিধানও সংযুক্ত করা হয়েছিল। আইনে বলা হয়, “যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন, তাহা হইলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তাহার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।”
বলার অপেক্ষা রাখে না, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য পরিসরে এই আইনটি বাস্তবায়ন করার যথাযথ উদ্যোগই গ্রহণ করা হয়নি, বাস্তবায়ন করা তো দূরের কথা। ফলে, এই আইন অমান্য করার জন্য কখনোই কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এখানে উল্লেখ্য যে, এই সময়কালে রাষ্ট্রীয় পরিসরে ইংরেজি ভাষা চর্চার পক্ষে-বিপক্ষে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্কের অবতারণা ঘটে এবং সেখানে ইংরেজি শিক্ষিত বিভিন্ন পেশাজীবীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ইংরেজি ভাষার পক্ষে জোরালো অবস্থান গ্রহণ করেন। ২৮০
লক্ষ করার বিষয় হলো, ভারতবর্ষে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে, উনিশ শতকে, ঠিক যেভাবে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ফারসির পরিবর্তে বাংলাসহ দেশীয় ভাষাসমূহ ব্যবহার করার নির্দেশ জারি করেও বাস্তবে তা প্রয়োগ করার ব্যাপারে আন্তরিক আগ্রহ প্রকাশ করেনি, স্বাধীন বাংলাদেশেও তেমনি বাংলা ভাষার পক্ষে আইন প্রণয়ন করেও তা প্রয়োগ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। আবার, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে ইংরেজিকে ‘অফিসিয়াল ভাষা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পথ সুগম করার জন্য যেমন ইংরেজি শিক্ষিত বাঙালি বাবু সম্প্রদায়ের একাংশের বুদ্ধিবৃত্তিক সামাজিক তৎপরতা ব্যবহার করা হয়েছে, স্বাধীন বাংলাদেশেও তেমনি ইংরেজিকে কার্যত অফিস-আদালতের ভাষা হিসেবে জারি রাখার জন্য ইংরেজি শিক্ষিত বাংলাদেশিদের একাংশের বুদ্ধিবৃত্তিক সামাজিক তৎপরতাকে ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রশ্ন হলো, দুই দুইটি উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের, ১৯৪৭ সালে ও ১৯৭১ সালে, রাজনৈতিক পরিণতি হিসেবে গড়ে ওঠা স্বাধীন বাংলাদেশে এ ঘটনা ঘটতে পারলো কেন? উত্তরটা অবশ্যই রাজনীতির ভেতরই নিহিত রয়েছে: বাংলাভাষী যে বিশাল দরিদ্র জনগোষ্ঠী নানা সংগ্রামের পরিক্রমায় সশস্ত্র জনযুদ্ধের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে, সেই জনগোষ্ঠী রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা তার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে পারেনি। উল্টো, শুরুতেই ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ ও পাকিস্তানি নয়া-উপনিবেশবাদী বৈষম্যমূলক রাজনীতি ও সংস্কৃতির জারকরসে সিক্ত হয়ে গড়ে ওঠা তৎকালে উদীয়মান বাঙালি মধ্যবিত্ত শ্রেণিটি এককভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে সক্ষম হয়। স্বভাবতই, এই বাঙালি শাসকশ্রেণিটি সদ্য স্বাধীন দেশে জনযুদ্ধের ভেতর দিয়ে বিকশিত জনগণের উপনিবেশবাদ-বিরোধী গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাবলি বাস্তবায়নের পরিপূরক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ না করে, বরং পুরনো ব্রিটিশ ও পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক আইনকানুন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা অক্ষুণ্ন রেখেই জনগণের ওপর নিজের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য জারি রেখে শুধু নিজের স্বার্থান্ধ সমৃদ্ধির পথ নিষ্কণ্টক রাখার আয়োজন নিষ্পন্ন করে। আর সেই আয়োজনে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন না ঘটিয়ে, ‘ক্ষমতার ভাষা’ হিসেবে ইংরেজিকেই জারি রাখার মাধ্যমে, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রক্ষমতার করিডোর থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।
শিক্ষানীতির প্রশ্নেও বাংলাদেশের শাসকশ্রেণি অভিন্ন বিভক্তিমূলক উপনিবেশবাদী কৌশল অবলম্বন করেছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবিধানে পরিষ্কারভাবে অঙ্গীকার করা হয়েছে যে, ‘রাষ্ট্র একই পদ্ধতির গণমুখী ও সর্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠা করবে।২৮১
বলার অপেক্ষা রাখে না, বাংলাদেশে ‘গণমুখী ও সর্বজনীন’ শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য বাংলা ভাষায় শিক্ষা প্রদানের কোনো বিকল্প নেই- থাকতেও পারে না। পৃথিবীর কোনো দেশেই জনগণের মাতৃভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় সাধারণ জনশিক্ষা তো বটেই, উচ্চশিক্ষার বিস্তারও সম্ভব হয়নি। একদা ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ইউরোপের প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্র রোম সাম্রাজ্যের ভাষা ‘ল্যাতিন’কে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়ে সে ভাষায় জনশিক্ষা বিস্তারে ব্যর্থ হয়েছিল। পরবর্তীকালে, ইংল্যান্ড, জার্মানিসহ অপরাপর কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র ফরাসি সাম্রাজ্যের ভাষা ‘ফরাসিকে’ ল্যাতিনের স্থান দিয়ে, সে ভাষায় শিক্ষা বিস্তারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, প্রত্যেকেই আপন আপন দেশের জনগণের ভাষায় শিক্ষা বিস্তারের উদ্যোগ নিয়ে ব্যাপক সফলতা অর্জন করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, বাংলাদেশের স্বাধীন যাত্রার শুরু থেকেই, এ দেশের বাঙালি শাসকশ্রেণি তিন ভাষায় তিন ধরনের- বাংলা মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষা, ইংরেজি মাধ্যমে পশ্চিমা শিক্ষা ও আরবি/ফারসি/উর্দু ভাষার মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষা -শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন ও প্রতিষ্ঠা করেছে। বিদ্যমান এই রকমারি শিক্ষাব্যবস্থার অধীনে, সাধারণভাবে উচ্চবিত্ত শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজি মাধ্যমে, মধ্যবিত্ত/নিম্নবিত্ত শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা মাধ্যমে ও নির্বিত্ত শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আরবি/ফারসি/উর্দু ভাষার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের শিক্ষা বিতরণ করা হয়। এই তিন ধরনের বৈষম্যমূলক শিক্ষাক্রমের অধীনে প্রশিক্ষিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশে, ইতিমধ্যেই, তিনটি পরস্পরবিদ্বেষী ‘শিক্ষিত’ সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়েছে, যা বাংলাদেশের সমতাভিত্তিক সমন্বিত গণতান্ত্রিক বিকাশের ঐতিহাসিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগতিপরায়ণ।
একটি আধুনিক রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মের সম্পর্ক নির্ণয়ের প্রশ্নে, একথা অনস্বীকার্য, স্বাধীন বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন লীগ-সরকার একটি যর্থার্থ গণতান্ত্রিক পথে অগ্রসর হয়েছিল। রাষ্ট্রকে জনগণের একটি ইহজাগতিক সংগঠন বিবেচনা করে, সমাজে বিদ্যমান কোনো ধর্মকেই বিশেষ মর্যাদা দান না করে, সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের ধর্মচর্চায় সমান অধিকার জারি রেখে, রাষ্ট্রকে একটি ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল।২৮২
একই সঙ্গে, সমাজে সর্বপ্রকার ধর্মীয় ‘সাম্প্রদায়িকতা’ চর্চা, ‘রাষ্ট্র কর্তৃক’ কোনো ‘ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান’, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহার’, কিংবা ‘কোনো বিশেষ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন’কে বিলোপ করার অঙ্গীকার করা হয়েছিল।২৮৩
বাংলাদেশের সশস্ত্র স্বাধীনতাযুদ্ধে যেহেতু দেশটির মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মাবলম্বী মানুষই নানা মাত্রায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, সেহেতু এই সিদ্ধান্ত শুধু চিরায়ত গণতন্ত্রের দার্শনিক সংজ্ঞার মানদণ্ডেই নয়, ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার প্রায়োগিক মানদণ্ডেও, একটি সঠিক পদক্ষেপ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল।
কিন্তু রাজনৈতিকভাবে লীগ-সরকারের চরম স্বৈরতান্ত্রিক রূপান্তরের পরিপ্রেক্ষিতে সংঘটিত একটি সহিংস সামরিক অভ্যুত্থানে, ১৯৭৫ সালে, লীগের রক্তাক্ত পতন থেকে উদ্ভূত রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষতার চরিত্র ক্ষয়ে যেতে থাকে। প্রথমে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী দলের সরকার, ১৯৭৯ সালে, সংবিধানের শিরোভাগে ইসলাম ধর্মের প্রতীকমূলক ‘বিস্মিল্লাহির রহমানির রহিম’ সংযুক্ত করা এবং সংবিধানের ‘প্রস্তাবনা’ ও ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় মূলনীতি’ অংশে ‘ধর্মনিরপেক্ষতার’ আদি অঙ্গীকার ত্যাগ করে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহ্র উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’২৮৪
স্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সংবিধানের ইসলামীকরণ ও ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী রাষ্ট্রীয় নীতিমালা প্রবর্তন করে। একইসঙ্গে, ‘রাষ্ট্র কর্তৃক’ কোনো ‘ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদাদান’ ও ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহার’ নিষিদ্ধকারী সাংবিধানিক বিধানটিকেও ‘বিলুপ্ত’ ঘোষণা করা হয়। জাতীয়তাবাদী দল প্রবর্তিত এইসব রাষ্ট্রীয় নীতিমালা প্রবর্তনের পথ ধরে, পরবর্তীকালে, ১৯৮৮ সালে, জেনারেল এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির সরকারের আমলে, ইসলামকে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম’ হিসেবে সাংবিধানিক মর্যাদাদানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে, প্রকারান্তরে, একটি ইসলাম ধর্মাবলম্বী সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মরাষ্ট্রে পরিণত করে।২৮৫ পরবর্তীকালে, একটি শিক্ষার্থী গণ-অভ্যুত্থানের মুখে, ১৯৯০ সালে, জাতীয় পার্টির সরকারের পতন পর, লীগ ও জাতীয়তাবাদী দল পালা করে একাধিকবার সরকার পরিচালনা করলেও, রাষ্ট্রের ধর্মবাদী সংবিধানের কোনো গণতান্ত্রিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়নি। ফলে, সমাজে ধর্মভিত্তিক সাম্প্রদায়িকতা বিকাশের মাধ্যমে, সেই ঔপনিবেশিক আমলের মতো, জনগণের ভেতর বিভক্তিমূলক রাজনীতির প্রসার ঘটে চলেছে, যা কোনো রাষ্ট্রের সমন্বিত গণতান্ত্রিক বিকাশের প্রতিবন্ধক।
ওদিকে, জাতিগত প্রশ্নে, বাংলাদেশের শাসকশ্রেণি শুরুতেই বর্ণবাদক্লিষ্ট উপনিবেশবাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে।
তথ্যসূত্র:
২৮০. এই বিতর্কের একটি খণ্ডচিত্রের জন্য দেখুন, ড. ইসরাইল খান, এরশাদের আমলে ভাষা-কেন্দ্রিক রাজনীতি ও বিতর্ক (১৯৮২-১৯৯০)
২৮১. দেখুন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, ১৯৭২, অনুচ্ছেদ ১৭
২৮২. প্রাগুক্ত, অনুচ্ছেদ ১২
২৮৩. প্রাগুক্ত
২৮৪. দেখুন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, প্রস্তাবনা ও অনুচ্ছেদ ৮(১) ও ৮(১৪), ১৯৭৯
২৮৫. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, ১৯৮৮, অনুচ্ছেদ ২(ক)
ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষার ঔপনিবেশিক রাজনীতি ৩৩
উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে
নূরুল কবীর
১৮ অক্টোবর (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
