কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতি ও মানবকেন্দ্রিক সুশাসন নিয়ে বিআইজিএফ-বিটিআরসির সম্মেলন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতি ও মানবকেন্দ্রিক সুশাসন নিয়ে বিআইজিএফ-বিটিআরসির সম্মেলন

ফন্ট সাইজ:

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিকাশ, উদীয়মান প্রযুক্তির সম্ভাবনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে মানবকেন্দ্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব নিয়ে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভার্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের অংশ হিসেবে বিটিআরসি কনফারেন্স রুমে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতি ও কৌশল, উদীয়মান প্রযুক্তি এবং মানবকেন্দ্রিক সুশাসন’ শীর্ষক সেশনটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞান সাংবাদিক, গবেষক ও আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন রেডিয়ান্স নিউজ-এর ঢাকা ব্যুরো চিফ মীর লুৎফুল কবীর সা’দী।
দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে নীতিনির্ধারণের সমন্বয় এবং মানুষের অধিকার ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো এ সেশনের মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে গুরুত্ব পায়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরকারি সেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। একই সঙ্গে তথ্যের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রশ্নও সামনে আসছে। এ প্রেক্ষাপটে এআই ব্যবস্থাপনায় সুস্পষ্ট নীতি ও কৌশল প্রণয়ন এবং প্রযুক্তির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
সম্মেলনে বিআইজিএফ ও বিটিআরসির যৌথ উদ্যোগে প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা এবং ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন ভূমিকা রাখতে পারে।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন, দায়িত্বশীল উদ্ভাবন এবং মানবকল্যাণকে প্রযুক্তি ব্যবহারের কেন্দ্রে রাখার বিষয়টি বর্তমান বিশ্বে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।