লড়াই করে হার জুনিয়র টাইগ্রেসদের

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজ

লড়াই করে হার জুনিয়র টাইগ্রেসদের

ফন্ট সাইজ:

শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। তৃতীয় বলে ছক্কা মেরে সাদিয়া আক্তার কিছুটা আশার সঞ্চার করেছিলেন । এক বল পরই সাজঘরে ফেরেন সাদিয়া। তার বিদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের জয়ের আশাও শেষ হয়ে যায়। ফাইনালে ৪ রানে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে না পারার আক্ষেপ বাংলাদেশের। টস জিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান করে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল। জবাবে ১৫৪ রানে থামে জুনিয়র টাইগ্রেসদের ইনিংস। লীগ পর্বে তিন ম্যাচের তিনটিতেই শ্রীলঙ্কার কাছে হারে বাংলাদেশ। ফাইনালেও শ্রীলঙ্কা জুজু কাটাতে পারলো না সাদিয়া ইসলামের দল। ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে লক্ষ্য তাড়া করতে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাইমুনা নাহার। পরের ওভারে সাজঘরে ফেরেন আরেক ওপেনার অচেনা জান্নাত।

চার রানে দুই উইকেট হারানো বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরান নিশিতা আক্তার নিশি ও শিরিনা খাতুন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দু’জন মিলে ১৬ বলে ১৭ রান তোলেন। দলীয় ২১ রানে শিরিন ফিরে গেলে ফের বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেট জুটিতে বিপদ কাটায় বাংলাদেশ। নিশিতা ও অধিনায়ক সাদিয়া ইসলাম মিলে ৫১ বলে ৬৭ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৮ রানের মাথায় রানআউটের শিকার হন নিশিতা। ৩৩ বলে ৩২ রান করে থামেন ডানহাতি এ ব্যাটার। এরপর দলীয় অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন সাদিয়া আক্তার। ৩ চার ও ৫ ছ্‌ক্কায় ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অধিনায়ক সাদিয়া বিদায় নিলে ভাঙ্গে পঞ্চম উইকেট জুটি।

চাপ সামলে ফারজানা ইয়াসমিনকে নিয়ে ২০ বলে ২৮ রানের জুটি গড়েন সাদিয়া। ফারজানার ফেরার পর বিবি আয়েশাকে নিয়ে সাদিয়ার চেষ্টা বাংলাদেশের সংগ্রহকে কেবল লক্ষ্যের কাছে নিয়ে যায়। শ্রীলঙ্কার হয়ে চমুধি হেরাথ ও চমুদি প্রবোদা ২টি করে উইকেট নেন। এর আগে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল। লঙ্কানদের ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার। এরপর টপঅর্ডারদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহও পেয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংসটি খেলেন ওপেনার সাঞ্জানা কাভিন্দি। ২৮ রান আসে উমায়াঙ্গানা পেইরিসের ব্যাট থেকে। এছাড়া বালাসুলিয়া ২৩, উপেক্ষা ২২, সেওমিনি ১৫ ও মেথসারা ১ রান করেন। বাংলাদেশের চার বোলার একটি করে উইকেট নেন।