মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমাতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যন্ত্রায়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের ওপর আদায় করা লেভির অর্থ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রস্তুত সরকার। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব তান শ্রী জোহান মাহমুদ মেরিকান এ তথ্য জানিয়েছেন। তার মতে, লেভি থেকে আদায় করা অর্থের একটি অংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ফিরিয়ে দেওয়া হলে তারা আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে। মালয়েশিয়ান ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশনের (এমইএ) আয়োজিত ২০২৭ সালের বাজেট-পরবর্তী এক ব্রিফিংয়ে জোহান মাহমুদ মেরিকান এ বিষয়ে কথা বলেন।
বারনামা ও মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক বিষয়ক সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে লেভির অর্থ যন্ত্রায়ন খাতে ব্যবহারের প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, নীতিগতভাবে সরকার এ ধরনের প্রস্তাব পর্যালোচনা করতে আগ্রহী।
জোহান জানিয়েছেন, অতীতেও বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের ওপর লেভির হার বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনার সময় অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে একটি তহবিল গঠনের প্রস্তাব উঠেছিল। ওই তহবিলের অর্থ যন্ত্রায়ন ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত উদ্যোগে বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছিল। নতুন করে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজের দক্ষতা বাড়াতে এবং বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমাতে সক্ষম হতে পারে।
এদিকে, মালয়েশিয়ার ২০২৭ সালের বাজেট অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের জুন থেকে দেশটিতে ন্যূনতম মাসিক মজুরি দুই হাজার রিঙ্গিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রথমে বর্ধিত মজুরি কার্যকর করবে। অন্যদিকে, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি আকারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন মজুরি কাঠামোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।
