সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশিত হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির এ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বাধ্যতামূলকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। এ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে দুই শিফটের বিদ্যালয়ে উভয় শিফটটে ভর্তির পছন্দ দিলে দুটি বিদ্যালয় পছন্দ করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সব আবেদন বাতিল করা হবে।
প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির আয়োজন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারি সম্পন্ন করতে হবে এবং এর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এ ক্ষেত্রেও নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
নীতিমালায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান ৫০ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান ১০০। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর থাকবে। এ পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা।
নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে বিদ্যালয়প্রধানেরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। পাশাপাশি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্র এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তির তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১লা জানুয়ারি শিক্ষার্থীর বয়স প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সর্বনিম্ন ৫ বছর ও সর্বোচ্চ ৭ বছর হতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৬-৮ বছর, তৃতীয় শ্রেণিতে ৭-৯ বছর, চতুর্থ শ্রেণিতে ৮-১০ বছর, পঞ্চম শ্রেণিতে ৯-১১ বছর, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১০-১২ বছর, সপ্তম শ্রেণিতে ১১-১৩ বছর, অষ্টম শ্রেণিতে ১২-১৪ বছর এবং নবম শ্রেণিতে ১৩-১৫ বছর বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর বয়স প্রমাণে আবেদনের সঙ্গে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেয়া যাবে।
ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ
প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষা
স্টাফ রিপোর্টার
শিক্ষাঙ্গন
২ ঘন্টা আগে
১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ২০২৬, ৮ঃ১৯ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
