জাতীয় ক্রিকেট লীগের দ্বিতীয় রাউন্ডেও দাপট ব্যাটারদের। প্রথম দিনে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন মিম মোসাদ্দেক ও ওপেনার নাঈম শেখ। দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরি করেছেন আরো পাঁচ ব্যাটার। খুলনার হয়ে তিন অঙ্কের দেখা পান শেখ মাহেদি হাসান। চট্টগ্রামের পক্ষে সেঞ্চুরি করেন ওপেনার সাদিকুর রহমান ও শাহাদাত হোসেন দিপু। সেঞ্চুরির পথে রয়েছেন ইফরান শুক্কুর। ঢাকার হয়ে সেঞ্চুরি পেয়েছেন দুই ব্যাটার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ২৯তম সেঞ্চুরি হাঁকানো মার্শাল আইয়ুবের পর অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও তিন অঙ্কের দেখা পান।
মার্শাল আইয়ুব ও মাহিদুল অঙ্কনের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ ঢাকার
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ২ উইকেটে ৩৪৩ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করা ঢাকা মার্শাল আইয়ুব ও মাহিদুল অঙ্কনের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৫৪৭ রান তোলে ইনিংস ঘোষণা করে। জবাব দিতে নেমে অধিনায়ক জাকির হাসানের ৬৫ রানের ইনিংসে ভর করে ২ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান তুলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে স্বাগতিক সিলেট। সৈকত আলী ৩১ ও অমিত হাসান ৯ রানে অপরাজিত আছেন। ৩৯৩ রানে পিছিয়ে থেকে আজ তারা ব্যাটিংয়ে নামবেন। এর আগে দ্বিতীয় দিনে তৃতীয় উইকেট জুটিতে আইয়ুব ও অঙ্কন মিলে ঢাকাকে বড় সংগ্রহের পথ দেখান। দু’জনের জুটি থেকে আসে ৩২০ রান। ১০ চার ও ২ ছক্কায় অঙ্কন ১০৮ ও ১৯ চার ও ১ ছক্কায় আইয়ুব ১৭৫ রানের ইনিংস খেলেন। সিলেটের পক্ষে স্পিনার নাসুম আহমেদ ৪ উইকেট নেন।
সাদিকুর-দিপুর সেঞ্চুরির পর অপেক্ষায় শুক্কুর
টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন চট্টগ্রামের ওপেনার সাদিকুর রহমান। বরিশালের বিপক্ষে এক রানের জন্য দেড়শো রানের মাইলফলক ছুঁতে পারেননি। ১৯ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো এ ইনিংসটি চট্টগ্রামকে বড় লিড এনে দেয়ার ভিত গড়ে দেয়। এর আগে প্রথম রাউন্ডে রাজশাহীর বিপক্ষে ১১৫ রানের ইনিংসে খেলেন বাঁহাতি এ ব্যাটার। সাদিকুরের পর সেঞ্চুরি করেন ডানহাতি ব্যাটার শাহাদাত হোসেন দিপু। ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ১৪১ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত তিনি। অধিনায়ক ইফরান শুক্কুরও আছেন সেঞ্চুরির অপেক্ষায়। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৯৯ বলে ৯২ রানে অপরাজিত তিনি। দ্বিতীয় দিন শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৭৯, লিড ১৯৭ রান। বরিশালের পক্ষে অভি আহমেদ নোবেল ২ উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে ২৮২ রানে অলআউট হয়েছিল বরিশাল।
রংপুরের সামনে ধুকছে ময়মনসিংহ
সিলেট একাডেমি মাঠে মিম মোদাদ্দেকের ১৫৭, ইকবাল হোসেনের ৭৮ ও আবদুল্লাহ আল মামুনের ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪২২ রান তোলে রংপুর। জবাবে ১৮৩ রান তুলতে ছয় ব্যাটারকে হারায় ময়মনসিংহ। রংপুরের মুশফিক হাসান ও স্বাধীন ইসলাম ৩টি করে উইকেট নেন।
৬ উইকেটের পর এবার সেঞ্চুরি মাহেদির
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম দিনে রাজশাহীর ব্যাটারদের কোনঠাসা করে দেন খুলনার স্পিনার শেখ মাহেদি হাসান। ৩৮ রানে ৬ উইকেট নিয়ে রাজশাহীকে ১১৯ রানে গুটিয়ে দেন। গতকাল ব্যাট হাতে সেঞ্চুরির দেখা পান এ অলরাউন্ডার। ১১৮ বলে ১০৪ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন মাহেদি। তার সেঞ্চুরি ও তিন সতীর্থের ফিফটিতে ভর করে দ্বিতীয় দিন শেষে ৯ উইকেটে ৪৬৩ রান তুলেছে খুলনা। লিড ৩৪৪ রানের। সফর আলী ৫ ও আব্দুল হালিম শুন্য রানে অপরাজিত থেকে আজ ব্যাটিংয়ে নামবেন। রাজশাহীর হয়ে নিহাদুজ্জামানের শিকার তিন উইকেট।
