গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকার এস এ পরিবহন পার্সেল সার্ভিসের শাখায় ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম শান্ত মির্জা (৪৪)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যরা পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃত শান্ত কুড়িগ্রামের চিলমারীর মৃত দারোগা আলীর ছেলে। পলাতকরা হলেন- আসাদুজ্জামান লিয়ন (৩৫) ও মো. আবু তাহের (৪৫)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে ওই প্রতিষ্ঠানের ভেতরে দেশীয় অস্ত্রসহ বেআইনি জনতাবদ্ধে প্রবেশ করে আশরাফুল ও লিয়নের নেতৃত্বে একটি সক্রিয় চাঁদাবাজ চক্র।
পরে অফিস স্টাফদের আটক ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যান্ডের ৬ বস্তা সিগারেট যার আনুমানিক বর্তমান মূল্য ৫ লাখ টাকা ও গ্রাহকদের লেনদেনের ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নিয়ে যায়। চলে যাওয়ার সময় আরও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ম্যানেজারকে শান্ত মির্জার মোবাইল নম্বর দেয়। এ ছাড়া, ঘটনা কাউকে জানালে বিবাদীরা ম্যানেজারকে হত্যার হুমকি দেয়। মামলার বাদী আরিফুল ইসলাম জানান, উল্লেখিত বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন বিবাদীদের কর্মকাণ্ডে আমিসহ অফিসের স্টাফরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং অফিসে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ও স্থানীয়দের মাধ্যমে বিবাদীদের শনাক্ত পূর্বক নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে থানায় এসে এজাহার দায়ের করি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোনাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) খায়রুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
