রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক স্থায়ীভাবে অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি); বরং সংস্কারকাজ শেষে নামফলকগুলো আরও সুন্দর, নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার মিরপুর-১০ নম্বরে ডিএনসিসি আয়োজিত জুলাই গ্রাফিতি রিমেক কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলক সরিয়ে ফেলা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে এ বার্তা পাঠায় ডিএনসিসি।
সমপ্রতি মিরপুর-১০ গোলচত্বরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সেখানকার পুলিশ বঙটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে পুলিশ বঙটির সংস্কার এবং মিরপুর-১০ এলাকার সার্বিক সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেয় ডিএনসিসি। চলমান সংস্কারকাজের সুবিধার্থে পুলিশ বঙের দেয়ালে সংযুক্ত জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের নামফলকগুলো সাময়িকভাবে সরিয়ে নেয়া হয়। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্দেশনায় সংস্কারকাজের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। ডিএনসিসি জানায়, নামফলকগুলো স্থায়ীভাবে অপসারণের কোনো উদ্দেশ্য নেই; বরং প্রশাসকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এগুলো নতুনভাবে নকশা করে মিরপুর-১০ গোলচত্বর এলাকায় আরও সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপন করা হবে। এতে পথচারী ও সাধারণ মানুষের কাছে নামফলকগুলো আরও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের অবদান যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা সম্ভব হবে। জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং যোদ্ধাদের অবদান স্মরণে রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই নামফলকগুলো নতুনভাবে উপস্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তাই সাময়িকভাবে নামফলক সরিয়ে নেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজবে কান না দিয়ে প্রকৃত বিষয়টি জানার আহ্বান জানিয়েছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ।
