অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ১২৫টি থানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে: ববি হাজ্জাজ

ফন্ট সাইজ:

মাদক, কিশোর গ্যাংসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশি ও এসআরবি টহল বাড়ানো হচ্ছে। দেশব্যাপী ১২৫টি নতুন থানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, মাদক আমাদের দেশে মহামারি আকার ধারণ করছে। মাদকের সঙ্গে ক্রাইম সম্পৃক্ত। যারা মাদক ও ক্রাইমের সঙ্গে জড়িত, যারা দুষ্টু লোক তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। রাজনৈতিক নাম ব্যবহার করে যাতে কেউ অনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে সে ব্যাপারে সরকার সজাগ রয়েছে। সরকারের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নেই। এর নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে সরকার।

শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সামাজিক আন্দোলন নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুরের বিহারি ক্যাম্পের মানুষ অমানবিক জীবনযাপন করে। বিহারি ক্যাম্পে ড্রাগ ক্রাইম ছাড়াও নানাবিধ অপরাধ সংঘটিত হয়। মাদক বিক্রির হটস্পট এই ক্যাম্পের বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, মাদক কারবারিদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে তারা নিজেদের রাজনৈতিক রং পাল্টে মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরনের অপরাধ করে থাকে। বিগত শাসন আমলে যারা মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরনের অপকর্ম করেছে তারাই এখনো মাদক কারবারসহ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মব সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত। আমাদের তরুণ যুবকরা মাদকাসক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ুক, তা আমরা চাই না। আমরা চাই, আমাদের কিশোর-তরুণরা লেখাপড়া করবে, গবেষণা করবে, রোবোটিক যুগে প্রবেশ করবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করবে।

‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক সদিচ্ছার চেয়ে সামাজিক আন্দোলন বেশি কার্যকর’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিরোধী দল হলি ফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজকে পরাজিত করে সরকারি দল বাংলাদেশ টেঙটাইল বিশ্ববিদ্যালয় বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, সাংবাদিক- জামিউল আহসান শিপু, নাদিয়া শারমিন, মো. আতিকুর রহমান ও মিরাজ মাহবুব ইফতি। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।