ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ ঘণ্টার বিক্ষোভের পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রসহ দেশটির বেশ কয়েকজন বিরোধী দলের নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে আকাশবাণী ভবনের সামনে চলা বিক্ষোভ থেকে ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের বাসে তুলে বিভিন্ন থানায় নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ। খবর ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, ইমরান মাসুদ, পি সন্তোষ ও এ রহিম।
দিনের শুরুতে বিরোধী এমপিরা ব্যারিকেডের ওপর উঠে বিক্ষোভ করেন। তারা জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে তাকে ‘ভোট চুরি’র জন্য দায়ী করার সুযোগ না দেয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
দেশটিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে এ কর্মসূচি পালন করছিল বিরোধী দল। বিক্ষোভের একপর্যায়ে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা সমর্থকদের নিয়ে আকাশবাণী ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন।
নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তারা। কংগ্রেস নেতা পবন খেরাসহ দলটির আরও নেতাকর্মী সেখানে অবস্থান নেন।
ভবনের ভেতর থেকে সাংবাদিকদের রাহুল গান্ধী বলেন, তারা ‘গণতন্ত্র রক্ষার’ জন্য লড়ছেন। তার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার মিলে দেশের গণতন্ত্র ‘শেষ করে দিয়েছেন’।
রাহুলের দাবি, তরুণদের পাশাপাশি কিছু পুলিশ কর্মকর্তাও ভোট ‘চুরি’ ও নির্বাচন ‘দখল’ করার বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।
