কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের উদ্যোগ

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের উদ্যোগ

ফন্ট সাইজ:

২০২৪ সালে ক্যাম্পাসে সংঘটিত কথিত গণধর্ষণের ঘটনা সামলানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ বেড়েছে। এর জেরে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের উদ্যোগ নিয়েছেন। সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে যখন ক্যাম্পাসে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করছেন, তখনই এই পদক্ষেপ নেয়া হলো। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রম ইতিহাসের অধ্যাপক এবং ফ্যাকাল্টি সিনেটের সদস্য পল অর্টিজ জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফ্যাকাল্টি কমিটির কাছে অনাস্থা প্রস্তাবটি জমা দেয়া হয়েছে। কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করবে। এরপর আগামী ১৪ই অক্টোবর ফ্যাকাল্টি সিনেটের পূর্ণাঙ্গ বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে এটি তোলা হবে। অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে কোনো নেতা বা প্রশাসনের ওপর আস্থা হারানোর বিষয়টি প্রকাশ করা হয়। এমন ভোট বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্বের প্রতি গুরুতর অসন্তোষের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং তাদের পদক্ষেপ নিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

অর্টিজ সিএনএনকে বলেন, শত শত শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী ও কর্মী আমাদের কাছে এসে দাবি জানিয়েছেন, আমরা যেন এ বিষয়ে কিছু করি। সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে আয়োজিত সমাবেশে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা ‘লজ্জা’ ও ‘পদত্যাগ করো’ স্লোগান দেন। ২০২৪ সালে ক্যাম্পাস পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর ‘জেন ডো’ নামে পরিচিত ওই নারীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা যথাযথভাবে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে বিক্ষোভকারীরা মনে করছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পোস্টার অনুযায়ী, কিছু সংগঠন বুধবার ‘জেন ডোর সঙ্গে সংহতি’ জানিয়ে সাত ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচিরও পরিকল্পনা করেছে। গত মাসে জেন ডো বিশ্ববিদ্যালয়, চি ফাই ভ্রাতৃসংঘ, ওই ভ্রাতৃসংঘের সাত সদস্যসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সুরক্ষা দিতে এবং অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

এরপর ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে- ক্যাম্পাস পুলিশের তদন্ত কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল, স্থানীয় জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয় কেন অভিযোগ দায়ের না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ যথেষ্ট ছিল কি না।