জয়ের সেঞ্চুরি রুয়েলের ‘ফাইফার’

জয়ের সেঞ্চুরি রুয়েলের ‘ফাইফার’

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) দ্বিতীয় দিন শেষে বরিশালের বিপক্ষে জয়ের সুবাস পাচ্ছে খুলনা। প্রথম ইনিংসে খুলনার ৪২৬ রানের জবাবে ৯৪ রানে অলআউট হয় বরিশাল। ফলোঅনে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও সুবিধা করতে পারেনি তারা। দ্বিতীয় দিন শেষে ৪৩ রান তুলতে ২ উইকেট হারায় বরিশাল। আরেক ম্যাচে প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর ৩৬৪ রানের দারুণ জবাব দিচ্ছে চট্টগ্রাম। দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদিকুর রহমান অবিচ্ছিন্ন জুটিতে তোলেন ১৯০ রান। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রংপুরের ৩৪০ রানের জবাবে ১২০ রান তুলতে ৬ উইকেটে হারায় ঢাকা।

অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে ময়মনসিংহের ৩১১ রানের জবাবে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান করে সিলেট। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে ৫ উইকেটে ৩২৮ রান করা খুলনার হয়ে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ব্যাট করতে নামেন আফিফ হোসেন ধ্রুব ও সামিউন বশীর। দলীয় ৩৪২ রানে ফিফটি করা আফিফকে ফেরান রুয়েল মিয়া। ২২ রান করা সামিউনও দ্রুত ফেরেন। শেষদিকে সফর আলীর অপরাজিত ২৯ ও আব্দুল হালিমের ২১ রানে ভর করে ৪২৬ রানের পুঁজি পায় খুলনা। বরিশালের হয়ে ৮০ রানে ৫ উইকেট নেন পেসার রুয়েল মিয়া। এবারের আসরে এটি প্রথম ফাইফার। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় বরিশাল। ১২ রান করে আউট হন জাওয়াদ আবরার। তার বিদায়ের পর নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে দলটি। প্রথম ইনিংসে বরিশালের পাঁচ ব্যাটার রানের খাতা খুলতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯২ রানে গুটিয়ে যায় বরিশাল। ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে ওপেনার ইফতেখার হোসেন ইফতির ব্যাটে। খুলনার হয়ে দুই পেসার মেহেদি হাসান রানা ও শেখ পারভেজ হোসেন জীবন ৩টি কের উইকেট নেন। ফলো অনে পড়া বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসেও চাপে রয়েছে। দলীয় ৫ রানে দুই ওপেনারকে হারায় তারা। ২ উইকেটে ৪৩ রান নিয়ে দিন শেষ করে বরিশাল।

আরেক ম্যাচে প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর করা ৩৬৪ রানের জবাবে বিনা উইকেটে ১৯০ রান করে দিন শেষ করেছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট সপ্তম সেঞ্চুরি তুলে নেন। আরেক ওপেনার আছেন সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে। জয় ১০২ ও সাদিক ৮৬ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিন ব্যাট করতে নামবেন। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২২৯ রান নিয়ে খেলতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৩৪০ রান করে রংপুর। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের হয়ে শেষদিকে আলাউদ্দিন বাবু ৩৭ ও আবুল হাশিম ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ৯২ রানে ৪ উইকেট নেন ঢাকার আরিফ হোসেন।

জবাব দিতে নেমে ৬ উইকেটে ১২০ রান তুলে দিন শেষ করেছে ঢাকা। শুন্য রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার নাঈম শেখ। আনিসুল ইমন ২০ ও মার্শাল আইয়ুব ৩৪ রান করেন। অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। রংপুরের হয়ে চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান ২ উইকেট নেন। ২২০ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিন খেলতে নামবে ঢাকা। সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ২৭৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করা ময়মনসিংহ ৩৮ রান যোগ করতে বাকি ৩ উইকেট হারায়। পেস অলরাউন্ডার আবু হায়দার রনি ৫৮ রান করেন। জবাবে অধিনায়ক জাকির হাসানের ৬০ ও আসাদুল্লাহ আল গালিবের ফিফটিতে ভর করে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান করেছে সিলেট। ৭৫ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করবে তারা। গালিব ৫৫ ও তোফায়েল ১১ রানে অপরাজিত।