সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াং ক্লাব থেকে ২৩০ বোতল মদ জব্দ

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াং ক্লাব থেকে ২৩০ বোতল মদ জব্দ

ফন্ট সাইজ:

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের মালিকানাধীন ফু-ওয়াং ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ২৩০ বোতল অনুমোদনহীন মদ জব্দ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দা, নিরীক্ষা ও তদন্ত অধিদপ্তরের যৌথ দল। শনিবার রাতে এনবিআরের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

কর্মকর্তারা জানান, এই ২৩০ পিস মদের বোতল একটি ছোট কাভার্ড ভ্যানে করে রেস্টুরেন্টের প্রাঙ্গণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় আমাদের টিম সেখানে উপস্থিত হয়। পরে ২৩০ পিস অনুমোদনবিহীন অ্যালকোহল বা লিকারসহ গাড়িটি আটক করা হয়।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে আমরা আরও কিছু পণ্য পাই। এর মধ্যে ‘জিনসেং’ নামের একটি প্যাকেটজাত পণ্য রয়েছে, যা শর্তযুক্ত আমদানির আওতাভুক্ত। ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের পণ্য আমদানি করা যায় না। কিন্তু পণ্যটির আমদানি বা ক্রয়ের স্বপক্ষে প্রতিষ্ঠানটি কোনো বৈধ ডকুমেন্ট প্রদর্শন করতে পারেনি। এছাড়া এক কেজি জাফরান দুটি স্যুটকেসে সংরক্ষিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলোর ক্রয় বা আমদানির স্বপক্ষেও প্রতিষ্ঠানটি কোনো বৈধ ডকুমেন্ট প্রদর্শন করতে পারেনি।

এনবিআর জানায় একই সময়ে আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- র ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।
উত্তরার মার্গারিটা লাউঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৬০৮ লিটার মদ জব্দ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, এর মধ্যে মাত্র ৩৬ লিটার ছিল দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য, যার মধ্যে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি ও হান্টার ব্র্যান্ডের পণ্য রয়েছে। এসব পণ্যের ক্রয়সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান। অন্যদিকে, সেখানে থাকা বিদেশি অ্যালকোহলের পুরোটাই অনুমোদনবিহীন বলে দাবি করে অভিযানকারী দল এবং সেগুলো জব্দ করা হয়। এ ছাড়া গুলশানের আর ক্যানভাস বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট থেকে ২৯ লিটার অনুমোদনবিহীন মদ জব্দ করা হয়েছে।

একই সময়ে তেজগাঁও এলাকার আন্তর্জাতিক হোটেল ‘হলিডে ইন’এ পরিচালিত বারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, যে বারটি পরিচালনা করা হচ্ছে সেটির লাইসেন্স হলিডে ইনের নামে নয় বরং ‘হাবিব হোটেল’ নামে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের নামে চালানো হচ্ছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যথাযথ অনুমোদন বা রূপান্তর ছাড়া এভাবে বার পরিচালনার স্বপক্ষে তারা কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। নথিপত্র ও সফটওয়্যারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা ।