কোচরাও পাবেন ক্রীড়া ভাতা

ফন্ট সাইজ:

ক্রীড়াবিদদের পেশাগত স্বীকৃতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতা দেয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই আরও কিছু খেলোয়াড় পাবেন এই ভাতা। পাশাপাশি কোচদেরও ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হবে বলে জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। গতকাল দিনাজপুর সরকারি কলেজে আয়োজিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার কর্তৃক গৃহীত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খেলাধুলার উন্নয়ন, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মতো দূরদর্শী পদক্ষেপগুলো দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল, যা গত ৭ মাসে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ক্রীড়া খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রথম ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্বাচিত ৩০৬ জন উদীয়মান ও প্রতিভাবান অ্যাথলেট বর্তমানে বিকেএসপিতে উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। সারাদেশে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার ও নতুন প্রতিভা অন্বেষণে দিনাজপুর বিকেএসপিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে।’ যুব সমাজের স্বাবলম্বিতা ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ৮৩টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। একই সাথে ফ্রিল্যান্সিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গত ৬ মাসে ফ্রিল্যান্সিং খাত থেকে ৩৪ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। এছাড়া সরকারের ‘আর্ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৯ লাখ যুব ও যুব নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে, যা দিনাজপুরের ১০টি উপজেলাতে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে।’

প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘দলমত নির্বিশেষে সবাই একসাথে কাজ করে এবং খেলাধুলার সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই একটি সুন্দর, সুস্থ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’