টানা দুই হারে ফিফা আসিয়ান কাপে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের। এ ব্যর্থতা নিয়ে নভেম্বরের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি নিচ্ছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা! জাতীয় দলের মিডফিল্ডার সোহেল রানা তো এমনটাই জানালেন। গতকাল এক ভিডিও বার্তায় সোহেল বলেন, এই টুর্নামেন্ট খেলাটাই আসলে ঘরের মাঠের সাফের জন্য বড় প্রস্তুতি। তার ভাষায়, ‘আমাদের জন্য এটা (আসিয়ান কাপ) নতুন ছিল। এটা আমাদের নতুন একটা সাফের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট ছিল। তো আমাদের অভিজ্ঞতা খুব ভালো যে, আমরা আসিয়ান কাপ খেলতে পারছি।’ দীর্ঘ তিন মাস মাঠের বাইরে থাকার পর বড় মঞ্চে নামাটা সহজ ছিল না দলের জন্য। তবে দুই ম্যাচ খেলার পর দলের মধ্যে ফিরেছে আত্মবিশ্বাস, যা সাফের আগে বাড়তি পাওনা বলেই মনে করছেন তিনি।
সোহেল বলেন, ‘আমরা লীগে ছিলাম না। আমরা ট্রেনিংয়েও ছিলাম না। আমরা সবাই অনেকদিন, তিন মাসের মতো আমরা খেলার বাইরে ছিলাম। তো আমরা ওই হিসাবে আমরা একমাস বা চার সপ্তাহ ট্রেনিং করে আমরা এই আসিয়ান কাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। তো আমরা ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচও খেলতে পারিনাই। এই দুইটা ম্যাচ খেলার পরে আমাদের প্লেয়ারদেরও এখন আগের থেকে অনেক ইমপ্রুভও হইছে, কনফিডেন্স লেভেল ভালো। এখন আমাদের জন্য ভালো কিছু হবে ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে।’ পেশাদার ফুটবলার হিসেবে দলের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন সোহেল।
বলেন, ‘অবশ্যই আমি এজ এ প্লেয়ার হিসাবে, প্রফেশনাল প্লেয়ার হিসাবে সব সময় আমার মেন্টালি স্ট্রং রাখা লাগে, ফোকাস থাকা লাগে টিমের প্রতি। টিম সব সময় যখন কোচ চান্স দিবে তখন নিজের বেস্টটা দিব।
তো ওই হিসাবে আমি আমার সেরাটা দেওয়ার জন্য আমি কালকে চান্স পাইছি, আমি সেরাটা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি।’ আগামী ১লা অক্টোবর গ্রুপের সবচেয়ে শক্তিশালী দল ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, যা হতে যাচ্ছে সাফের আগে শেষ বড় পরীক্ষা। এই ম্যাচের ছক নিয়ে সোহেল বলেন, ‘আমাদের এই গ্রুপের সবচেয়ে স্ট্রং টিম ইন্দোনেশিয়া। তো ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে আমরা ফার্স্ট মিনিট থেকে আমরা চেষ্টা করবো যে মিড ব্লক করার জন্য। অ্যান্ড বাকিটা ম্যাচ অনুযায়ী দেখা যাবে কি হয়।’
