দুই দিনের সফরে আজ রাতে সিউল যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দুই দিনের সফরে আজ রাতে সিউল যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

দুই দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সফরে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্যবিষয়ক উপমন্ত্রী, জাতীয় প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপমন্ত্রী এবং কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (কোইকা) চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, তার এই সফরের মূল লক্ষ্য ঢাকা ও সিউলের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের সফরের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের পথ তৈরি করা। সফরে কোনো সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি সই হওয়ার কথা নেই।

সফর প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক দ্বিপক্ষীয় অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, জাহাজ নির্মাণ, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রকল্পের অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, তার সফরের পর কিছুদিনের মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়া সফর করবেন। এরপর মাসের শেষ দিকে বা নভেম্বরের শুরুতে অর্থমন্ত্রীও দেশটি সফর করবেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও বাড়বে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ইতিবাচক আলোচনার মধ্য দিয়ে চুক্তিটি স্বাক্ষরের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলেও জানান তিনি।

সিউল সফরে নতুন বিনিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হবে। হুমায়ুন কবির বলেন, শিপ বিল্ডিং, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ, জনশক্তি রপ্তানি এবং বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থায়নে বাংলাদেশে বিনিয়োগে দক্ষিণ কোরিয়ার আগ্রহ রয়েছে।
এর আগে আজ ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত। ওই বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে হুমায়ুন কবির বলেন, কোরিয়ান ইপিজেড একটি দারুণ মডেল। এটিকে কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হবে।
দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকে গুরুত্ব দিচ্ছে, যার মাধ্যমে দেশে কর্মসংস্থান বাড়বে।