রাষ্ট্র ও জনগণের প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী নামানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনীর কোনো অভিযান হবে কিনা—এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পুলিশ বাহিনী যেভাবে কাজ করছে, তারা তাদের অ্যাক্টিভিটি আরও বাড়াচ্ছে।’
‘তবে রাষ্ট্র ও জনগণের প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী নামানো হতে পারে’—উল্লেখ করেন তিনি।
বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের ৬ মাসের সঙ্গে যদি আগের ৬ মাসের তুলনা করি—তাহলে কিছু অপরাধ কমেছে এবং কিছু অপরাধ বেড়েছেও। আমি স্বীকার করছি।’
‘তুলনামূলকভাবে আমরা খুব খারাপ করছি—আমি এটা মনে করি না।’ বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।
এদিকে মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার দুঃখিত ও বিব্রত বলে জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘তদন্তে এসব ঘটনায় কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা।’
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির নাম এসেছে। এতে দলটির দুর্নাম-বদনাম হয়েছে, এ নিয়ে সরকার বিব্রত কি না—এ বিষয়ে প্রকৃত তদন্ত হবে কি না, সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন।
জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে, তার স্থাপনা ভাঙা হলে বা তিনি হামলার শিকার হলে সরকার প্রতিটি ঘটনায় দুঃখিত এবং অবশ্যই বিব্রত। এমনকি কেউ অপরাধী হলেও তাঁর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য, যদি তাঁর ওপর এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে।’
‘কারণ এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের ছিল, বিব্রত এই অর্থে’—উল্লেখ করেন তিনি।
