ভীত নই, অভিজ্ঞতা নিতে এসেছি- হামজা

ভীত নই, অভিজ্ঞতা নিতে এসেছি- হামজা

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশ ছাড়ার আগে ফিফা আসিয়ান কাপ নিয়ে বড় আশা দেখাননি হেড কোচ টমাস ডুলি। টুর্নামেন্টে নিজেদের সেরা খেলা উপহার দিয়ে সাফের প্রস্তুতি সারার কথা জানান বাংলাদেশ দলের জার্মান কোচ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের মিশন শুরুর দুই দিন আগে একই সুর হামজা চৌধুরীর কণ্ঠে। বড় মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশকে গর্বিত করতে চান লাল-সবুজের এ মিডফিল্ডার।

হংকংয়ের মনকং স্টেডিয়ামে ডিভিশন-২ এ আজ বিকাল ৪টায় পর্দা উঠবে ফিফা আসিয়ান কাপ টুর্নামেন্টের। উদ্বোধনী ম্যাচে লাওসের প্রতিপক্ষ ব্রুনাই দারুসসালাম। সন্ধ্যা ৭টায় দ্বিতীয় ম্যাচে মিয়ানমারের প্রতিপক্ষ তিমুর লেস্তে। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খেলছে ডিভিশন-১ এ। আগামীকাল বিকাল ৩টায় ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মিশন শুরু করবে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। এবারই প্রথম ফিফা আসিয়ান কাপে খেলছে বাংলাদেশ। যেখানে হামজাদের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। বড় মঞ্চে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগকে বড় অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরী। শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে ভয় না পেয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনের লক্ষ্য বাংলাদেশের। গতকাল অনুশীলন শেষে হামজা বলেন, ‘আমরা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি। আমরা জানি আমাদের সামর্থ্য কতটুকু।

তবে ইনশাআল্লাহ, এটি আমাদের জন্য একটি শেখার সুযোগ। আমরা এখানে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসেছি এবং আশা করি আমাদের দেশকে গর্বিত করতে পারবো।’ ইন্দোনেশিয়ায় মাঠে নামার জন্য রোমাঞ্চিত এই মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, ‘এখানকার মানুষ খুব বন্ধুত্বপূর্ণ, অত্যন্ত দয়ালু। এখানে ফুটবলের বিশাল জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধাগুলোও খুব ভালো। আমি খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’ মালয়েশিয়া দল সম্পর্কেও ইতিবাচক মন্তব্য করেন হামজা। তিনি বলেন, ‘তারা (মালয়েশিয়া) র‌্যাঙ্কিংয়ে বেশ ভালো। তাদের দলে দারুণ মান রয়েছে, একজন খুব ভালো হেড কোচ আছেন। বিশেষ করে পরবর্তী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা যদি বিশ্বকাপে যাওয়ার দৌড়ে না থাকে, তবে আমি অবাকই হবো।’