দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে মিস করতে পারেন কামিন্স

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে মিস করতে পারেন কামিন্স

ফন্ট সাইজ:

আসন্ন টেস্ট সিরিজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে বিশ্রাম নিতে পারেন প্যাট কামিন্স। ডারবানে আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া প্রথম ম্যাচে অজি অধিনায়ককে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। জিম্বাবুয়ে সফর বাদ দিয়ে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টেস্টের প্রস্তুতি নিতে দেরিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছান এই ডানহাতি।

মূলত দীর্ঘমেয়াদি টেস্ট পরিকল্পনা এবং ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের কথা মাথায় রেখেই পেসারদের কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ব্যস্ত সূচির মধ্যে মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে তিন ওয়ানডেতে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজেলউডকে একসঙ্গে খেলিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না অস্ট্রেলিয়া।

দলের এই ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট প্রসঙ্গে অভিজ্ঞ পেসার স্টার্ক বলেন, ‘জিম্বাবুয়ে সিরিজে আমাদের অনুপস্থিতিতে নাথান এলিস অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছে। দলের প্রধান আক্রমণভাগকে সে যেভাবে সামলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ওয়ানডে স্কোয়াডে নিজের জায়গা পাকা করার দাবি সে জোরালোভাবেই জানাচ্ছে।’

দলের এই কৌশলগত পরিবর্তনের সুবাদে তরুণ পেসার নাথান এলিসের সামনে বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুতগতির ও বাউন্সি উইকেটে এলিসের কিছুটা দুর্বল রেকর্ড রয়েছে। এশিয়ার স্লো পিচে তার গড় ২২ এর নিচে হলেও প্রোটিয়া কন্ডিশনে তা ৫৫ এর বেশি। ফলে পূর্ণ শক্তির একাদশে কামিন্স এবং এলিস একসঙ্গে জায়গা পান কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

এদিকে, কামিন্সের সীমিত অংশগ্রহণ অজিদের নেতৃত্বভারের ওপরও প্রভাব ফেলছে। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে তিনি মাত্র দুটি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। টেস্টের অতিরিক্ত চাপের কারণে আগামী ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত কামিন্সকে সীমিত ওভারের বেশ কয়েকটি সিরিজে বিশ্রাম দেয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।