কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায় গভীর সাগরে মাছ ধরার তিনটি ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ট্রলার তিনটিতে থাকা প্রায় ২৫ লাখ টাকার মাছ লুটে নিয়েছে সশস্ত্র ডাকাতদল। মঙ্গলবার সকালে কুতুবদিয়া উপজেলা মৎস্য ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী ট্রলার তিনটির মালিক নেছারুল ইসলাম, গোলাম রহমান প্রকাশ বালি ও বিউটি আক্তার। তাদের বাড়ি কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মিয়ার কাটা গ্রামে ও বিউটি আক্তারের বাড়ি একই উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালী গ্রামে। ডাকাতির শিকার হওয়া ‘এফবি রিয়াদ’ ট্রলারের মালিক নেছারুল ইসলাম জানান, গত বুধবার ১০ জন জেলেকে নিয়ে ট্রলারটি সাগরে যায়। কয়েকদিন সাগরে জাল ফেলে জেলেরা প্রচুর মাছ পান।
সোমবার দিবাগত রাতে মাছ নিয়ে কুতুবদিয়ায় ফেরার পথে মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে ‘জাহাজ খারি’ নামক স্থানে পৌঁছলে ডাকাতদল তাদের গতিরোধ করে। এ সময় ডাকাতরা আকস্মিক ট্রলারে উঠে জেলেদের বেধড়ক মারধর করে। পরে, ট্রলারে থাকা ১২ লাখ টাকার ইলিশ মাছ লুটে নেয়।
একই রাতে ডাকাতির শিকার হওয়া ‘এফবি আল্লাহর দান’ ট্রলারের মালিক গোলাম রহমান প্রকাশ বালি জানান, তার ট্রলারে ৯ জন জেলে ছিলেন। তাদেরকে ডাকাতরা মারধর করেছে।
জেলেদের ভাষ্যমতে, ডাকাতদের কথা ও আচরণ দেখে কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা বলে মনে হয়েছে। গভীর সাগরে কুতুবদিয়ার তিনটি ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালীর বিউটি আক্তারের মালিকানাধীন ‘এফবি মায়ের দোয়া’ ট্রলারটিও রয়েছে। কুতুবদিয়া উপজেলা মৎস্য ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ জানান, ডাকাতদের কবলে পড়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারগুলো ও জেলেরা ইতিমধ্যে নিরাপদে কুতুবদিয়ায় ফিরে এসেছেন।
