মুক্তাগাছা থানায় হামলা-ভাঙচুর, বিএনপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ফন্ট সাইজ:

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানা ভবন ও থানার সামনে থাকা ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে মুক্তাগাছা থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় মুক্তাগাছা পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী টুটুলসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে মুক্তাগাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মিঠু মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে আরিফ রব্বানী টুটুলের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা, রড ও ইটপাটকেল নিয়ে একদল লোক মুক্তাগাছা থানার প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরির উদ্দেশ্যে তারা থানা ও পাশের ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ভাঙচুর করেন।

এতে থানার গ্লাস, আসবাবপত্র এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলায় প্রায় ৫০ হাজার টাকার সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, হামলাকারীদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তারা কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপরও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে পুলিশ সদস্যরা আহত হওয়ার উপক্রম হন এবং থানার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। মামলায় নাম উল্লেখ করা ১১ আসামি হলো, পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ রব্বানী টুটুল (৫০), উপেল (২৪), সোহেল ডিএস সোহেল (৩৬), রুবেল (২৮), ফরিদ (২৭), কামরুল (৪৮), মিলন (৩৩), রনি (৩৫), রাকিব (২৫), নীরব (২২), নাহিদ (২৫)। তারা সকলেই মুক্তাগাছা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ঈশ্বরগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।