রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের ইকলিমপুর এলাকায় আখিরা নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধ ধসে পড়ায় নদী তীরবর্তী আশ্রয়ণ কেন্দ্রের প্রায় ২০টি ঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে। গত ১৪ই সেপ্টেম্বর মানবজমিন পত্রিকায় ‘বাঁধের কাজে ফাঁকি, ধসে পড়ছে বাড়ি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরে আসে। পাউবো অফিস সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজের ত্রুটিগুলো চিন্তিত করে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেয়। এতে ধসে পড়া ব্লকগুলো মেরামতের কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
সরজমিন দেখা যায়, প্রায় ৪শ’ মিটার দৈর্ঘ্য বাঁধের ব্লকগুলো ধসে পড়ছে। ওই বাঁধের উপরেই রয়েছে ২১টি ভূমিহীনদের জন্য তৈরি করা সরকারি ঘরসহ স্থানীয় আরও অর্ধশত আধাপাকা টিনশেড ঘর। ২০২৪ সালে নির্মাণ করা বাঁধের কাজ শেষ হতে না হতেই একের পর এক ব্লকগুলো ধসে পড়ছে। ঠিকাদার নদীর ধসে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকেই বালু ড্রেজিং করে জোড়াতালির কাজ করছে। এর আগেও নদীর বালু ও মাটি ব্যবহার করে তীর সংরক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করার অভিযোগ উঠেছিল। আশ্রয়ণ কেন্দ্রের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, নদীর তীরের মাটি যথাযথ ভাবে দুরমুজ ও ফিনিশিং না করেই পানির মধ্যে ব্লক বসানো হয়েছে। ফলে বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে তারা শঙ্কিত।
বিশেষ করে নদীর ভেতরে মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করায় নদীর তীর ও আশপাশের বসতবাড়ি আরও ঝুঁকিতে পড়ছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার শ্যামল বাবু জানান, আগের কাজে নদীর দুই পাশেই কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এবার কাজটি সুন্দরভাবে করার চেষ্টা করছি।
