৩৪ দিনে সিলেটের হযরত সাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে পাওয়া গেছে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ, রোপাসহ একিধক চিঠিও পাওয়া গেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে গণনার কাজ শেষ হয় সন্ধ্যায়।
মাজারের দানবাক্স ও ডেগের মোট টাকার পরিমাণ ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাব প্রকাশ করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এ সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গঠিত ১৩ সদস্যের কমিটির তত্ত্বাবধানে এ গণনা করা হয়। গণনা শেষে পাওয়া অর্থ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাজারের নামে সোনালী ব্যাংকে খোলা নির্ধারিত হিসাবে জমা রাখা হয়েছে।
চলতি বছর ২২শে জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের দানের ডেগ ও দানবাক্সের অর্থ গণনা করা হয়। ওই দফায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। পাশাপাশি স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়। এরপর ১১ই জুলাই দ্বিতীয় দফায় গণনায় পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। আর সর্বশেষ ১৫ই আগস্ট তৃতীয় দফায় দানবাক্স ও ডেগ থেকে পাওয়া যায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা। ওই সময় বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি ২ ভরি ১ রতি স্বর্ণালংকার ও ১ ভরি ২ আনা রুপা পাওয়া যায়।
আগের তিন দফায় নগদ অর্থ মিলিয়ে মোট ১ কোটি ৪০ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পাওয়া গেছে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। এর আগে মাজারের দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি ও স্বচ্ছ কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে গত ২৬শে জুন ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নিয়মিত বিরতিতে দানের অর্থ প্রকাশ্যে গণনা করা হয়। গণনা শেষে দানবাক্স ও ডেগে জমা হওয়া নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ জানা গেছে।
৩৪ দিনে সিলেটের মাজারের দানবাক্সে মিললো ৮৮ লাখ টাকা
স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে
অনলাইন
২ ঘন্টা আগে
১৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার), ২০২৬, ১০ঃ৫৯ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
