বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তি হোসে ফ্লোরেসের আয়ুর রহস্য

গিনেজ রেকর্ডের অপেক্ষায়

বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তি হোসে ফ্লোরেসের আয়ুর রহস্য

ফন্ট সাইজ:

১১৯ বছর বয়সী হোসে ফ্লোরেস কোস্টারিকার সার্ডিনাল শহরে বসবাস করেন। বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ জীবিত ব্যক্তি হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। তার পরিবার ও সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী তিনি এই বয়সে পৌঁছেছেন। তবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে তার জন্মতারিখ যাচাইয়ের প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে। এ খবর দিয়েছে রয়টার্স।

সার্ডিনাল শহরটি নিকোয়া উপদ্বীপের অন্তর্গত, যা বিশ্বের পাঁচটি ‘ব্লু জোন’ বা দীর্ঘায়ু অঞ্চলের একটি হিসেবে পরিচিত। এসব অঞ্চলের মানুষ তুলনামূলক বেশি দিন বাঁচেন এবং শতবর্ষী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। স্থানীয়দের মতে, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ পানি, ভুট্টা ও শিম জাতীয় খাবার, কায়িক পরিশ্রম এবং দৃঢ় পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনই তাদের দীর্ঘায়ুর মূল রহস্য।

সরকারি পরিচয়পত্র অনুযায়ী ফ্লোরেসের জন্ম ১৯০৭ সালের ১১ জুলাই। তিনি সারা জীবন গ্রামাঞ্চলে কৃষিকাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি নাতনি হেলেন ফ্লোরেসের রান্না করা খাবার খেয়ে, বিশ্রাম নিয়ে এবং নাতনির সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে দিন কাটাচ্ছেন। হেলেনের মতে, পরিবারের ভালোবাসা ও যত্ন ছাড়া তার দাদার পক্ষে এত দিন বেঁচে থাকা সম্ভব হতো না।

নিকোয়া পেনিনসুলা ব্লু জোন অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা হোর্হে বিন্দাস জানান, ফ্লোরেসের জন্ম ও ব্যাপটিজমের সনদসহ প্রয়োজনীয় সব ঐতিহাসিক নথিপত্র তাদের হাতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যাচাই-বাছাই শেষে শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসবে বলে তিনি আশাবাদী। ফ্লোরেসের ৮ জন সন্তান, ২৩ জন নাতি-নাতনি, ২৫ জন পুতি এবং একজন প্রপুতি রয়েছেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ জীবিত ব্যক্তি হলেন ব্রিটেনের এথেল ক্যাটারহ্যাম। ১৯০৯ সালের ২১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করা এই নারী ২০২৬ সালে ১১৭ বছরে পা দিয়েছেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ব্রাজিলের নান ইনা ক্যানাবারো লুকাসের মৃত্যুর পর তিনি এই স্বীকৃতি পান।