বরিশাল-খুলনায় নয়া মডেলের এনসিএল টি-টোয়েন্টি!

বরিশাল-খুলনায় নয়া মডেলের এনসিএল টি-টোয়েন্টি!

ফন্ট সাইজ:

এনসিএল টি-টোয়েন্টি, বিসিএল ওয়ানডে ও চারদিনের ম্যাচ নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক নয়া টুর্নামেন্ট করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে টি-টোয়েন্টি দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর পরিকল্পনা। প্রতিযোগিতার নাম হিসেবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রস্তাবের তালিকায় রয়েছে। যদিও বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ও টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, আসরের নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এই আসরটি ঢাকার বাইরে করার পরিকল্পনা বিসিবি’র। গতকাল সেই লক্ষ্যে খুলনা ও বরিশালে গেছে বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটির প্রতিনিধিদল। এ বিষয়ে আলমগীর বলেন, ‘আমরা দু’টি ভেন্যুতে এনসিএল টি-টোয়েন্টি করার পরিকল্পনা করছি। তবে তার আগে চারটি ভেন্যু পরিদর্শন করেছে প্রতিনিধিদল।

সেগুলো হলো- খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও বগুড়া। ভেন্যুগুলো পরিদর্শন শেষে রিপোর্ট হাতে পেলে আমরা নিশ্চিত করবো কোথায় কোথায় খেলা হবে।’ মাঠের তালিকা তৈরির কাজ করছেন কর্মকর্তারা। খুলনা ও বরিশালের স্টেডিয়াম নিয়ে আলোচনা চলছে বোর্ডে। রাজশাহী ও বগুড়ার মাঠের হতে পারে। তবে জানা গেছে বরিশাল আর খুলনা দু’টি ভেন্যু কাছাকাছি হওয়াতে এখানেই খেলা হতে পারে। বরিশালের জীবনানন্দ দাস ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২১ বছর খেলা বন্ধ রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ স্টেডিয়াম সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। সংস্কারের কাজ সমাপ্তির পথে। খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাঠ উন্নয়নে অনুমোদন দিয়েছে বিসিবি। ভেন্যু নিয়ে গতকাল আলমগীর বলেন, ‘গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খুলনা ও বরিশালে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের ভেন্যু এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।’ পরিদর্শকদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেবে টুর্নামেন্ট কমিটি। বোর্ডের প্রকৌশলীরা খুলনায় গিয়ে কাজের অগ্রগতি যাচাই করে প্রতিবেদন দেবেন।

এনসিএল টি-টোয়েন্টি আসরের সঙ্গে ওয়ানডে ও চারদিনের লীগের সূচি সমন্বয় করছে বিসিবি। প্রতিযোগিতার কাঠামো নির্ধারণে বৈঠক করেছে টুর্নামেন্ট কমিটি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের মাঠের ব্যবহার নিয়ে কথা উঠেছে। মিরপুরে খেলা আয়োজন প্রসঙ্গে গতকাল আলমগীর বলেন, ‘এটি শুধু টি-টোয়েন্টির জন্য ভেন্যু দেখা হচ্ছে। আর ঢাকাতে মানে মিরপুরে খেলা হবে না কিনা তা নিয়ে এখনো আমরা চিন্তা করিনি। আমরা দু’টি ভেন্যুতেই করতে চাইছি।’ টুর্নামেন্টের সময় নির্ধারণ নিয়ে কাজ চালাচ্ছে বিসিবি। ক্রিকেটারদের মাঠে উপস্থিতির সুযোগ বিবেচনা করছে টুর্নামেন্ট কমিটি। ছয়টি দল গঠনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ক্রিকেট বোর্ড। আসরের সময়সূচি প্রসঙ্গে গতকাল আলমগীর বলেন, ‘আমরা ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই আসর শুরু করতে চাইছি। তখন জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের পাওয়া যাবে। যতটা জানি তখন আন্তর্জাতিক কোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্ট থাকবে না। মানে বিপিএল সময়টা ব্যবহার করতে চাইছি। এই সময়টাতে জাতীয় দলের ক্রিকেটারা খেলতে পারবে।’